বর্তমানে ১০ টাকায় ২০ লিটার বিশুদ্ধ জল বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে। বর্ষাকাল আসলেই এই কাজ শেষ হবে। চারদিক নদীবেষ্টিত হওয়ায় এখানে অধিকাংশ জলই লবণাক্ত। অন্যদিকে ভূগর্ভস্থ জলের স্তর নেমে যাওয়ায় দীর্ঘক্ষণ পাম্প চালিয়েও পর্যাপ্ত জল মিলছে না বলে অভিযোগ ছিল স্থানীয়দের। নলকূপেও জল নেই। এই পরিস্থিতিতে একদল মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে দিয়ে এই কাজ করা হচ্ছে। মাইক লাগিয়ে জল দেওয়া হচ্ছে।

advertisement

আরও পড়ুনঃ ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার মেলবন্ধন! পুরুলিয়ার গর্বের তাঁত শিল্পে সাফল্যের জোয়ার, বাইরের বাজারেও বাড়ছে জনপ্রিয়তা

এই প্রসঙ্গে নগেন্দ্রপুর পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে চিত্তরঞ্জন হালদার জানিয়েছেন, সমস্যা রয়েছে। আবার বৃষ্টি হলেই সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। তবে এই দু’মাস তীব্র জলের সমস্যা কিছুটা সমাধান হবে। নলকূপেও এই সময় জল মেলে না। জলের লেয়ার নেমে যায়। ফলে এই ব্যবস্থা উপকারে লাগবে সাধারণ মানুষজনের। জলাশয়ের জলকে পরিশ্রুত পানীয় জলে পরিণত করে সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

advertisement

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

জানা গিয়েছে, শীঘ্রই অন্য অঞ্চলগুলিতেও এই ব্যবস্থা চালু হবে। বর্তমানে ৩টি অঞ্চলে এই ব্যবস্থা চলছে। জল দেওয়ার জন্য মাইক নিয়ে ঘোষণা করা হচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষজন তা জানতে পারছেন।