এই প্রসঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা সুখদেব মাইতি জানান, কাজ হওয়ায় সকলে খুশি। তবে অস্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করার কাজ হচ্ছে। গত বছর কপিলমুনির আশ্রমের সামনে সমুদ্রসৈকত ভেঙেছিল। তট বরাবর যে রাস্তা ছিল, সেটি অনেকটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভাঙন কোনওভাবেই আটকানো যাচ্ছিল না।
আরও পড়ুনঃ ভোটের মুখে জেলায় টাকার পাহাড়! দুই গাড়ি থেকে মিলল ১৮ লক্ষ, নাকা চেকিংয়ে ব্যাক টু ব্যাক নগদ উদ্ধার
advertisement
প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবদিকে নজর রাখা হয়। বিশেষজ্ঞ কমিটি এনে পরীক্ষা করা হয়। তখন স্থায়ী নদীবাঁধ তৈরির পরিকল্পনা হলেও উঠেছিল কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রসঙ্গ। তবে এবার অস্থায়ী নদী বাঁধ তৈরির জন্য প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ শুরু হয়েছে। তবে আরও ভাল কাজ হলে এই পাড় রক্ষা করা যাবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ভবিষ্যতে এই কাজ হবে বলে আশাবাদী সকলেই।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সব মিলিয়ে, বর্ষার আগে এই কাজ শেষ হলে এই বছর আপাতত রক্ষা করা যাবে মাটি। পরে আবার কাজ হলে সবকিছু দেখা যাবে। রাজ্য সরকারের আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে গঙ্গাসাগরে ভাঙন রোধ করা হবে। ১ থেকে ৬ নম্বর স্নানঘাট পর্যন্ত স্থায়ী কংক্রিটের নদী বাঁধ নির্মাণ করা হবে। এর জন্য ১০০ কোটি টাকা খরচের কথাও জানানো হয়েছে। এই কাজ শেষ হতে দু’বছর সময় লাগবে। এই বিষয়ে গঙ্গাসাগর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান হরিপদ মণ্ডল জানান, প্রতি বছর মাটি দিয়ে অস্থায়ীভাবে বাঁধ নির্মাণ ফলশ্রুত হচ্ছে না। কংক্রিটের বাঁধ একমাত্র সমাধানসূত্র।





