প্রতিবেশীদের দাবি, অভিযুক্ত ছেলে আতাউল্লাহ গাজী মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে। এদিন দুপুরবেলায় পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা নামাজ পড়তে বাড়ির বাইরে গেলে এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, সেই সুযোগেই আকিলা গাজীর ছোট ছেলে আতাউল্লাহ গাজী ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাকে এলোপাথাড়ি কোপাতে শুরু করেন।
advertisement
কিছুক্ষণ পর পরিবারের লোকজন বাড়িতে ফিরে এসে আকিলা গাজীকে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে মগরাহাট গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।ঘটনার খবর পেয়ে মগরাহাট থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ছেলে আতাউল্লাহ গাজী পলাতক। পুলিশ সূত্রে খবর, তাঁর খোঁজে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
মগরাহাট থানার ওসি সজল কুমার রায় জানান, ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে। এই নৃশংস ঘটনায় গোটা এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ আরও স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।






