দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার এই এলাকা ভাঙন, ঘূর্ণিঝড় সহ একাধিক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে জর্জরিত। নতুন এই পরিকল্পনায় সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে। এই এলাকায় ১৭২ মিটার দীর্ঘ মাটির নদীবাঁধের বদলে তৈরি হচ্ছে স্থায়ী কংক্রিটের বাঁধ। স্থানীয় মৎস্যজীবী সম্প্রদায় এর ফলে উপকৃত হবেন।
advertisement
২০০৯ সালে আয়লা, এরপর বুলবুল, আমফান এবং ইয়াসের মতো প্রতিটি প্রাকৃতিক দুর্যোগেই ভয়াবহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এই অঞ্চল। এখনও জলোচ্ছ্বাস, পূর্ণিমা ও অমাবস্যার কোটালে নদীর জলস্তর বিপজ্জনকভাবে বেড়ে গিয়ে একাধিকবার বাঁধ উপচে বা ভেঙে পড়েছে। নোনা জলে চাষের জমি ও বসতবাড়ির বরাবর ক্ষতিসাধন হয়েছে।
স্থানীয়রা বারবার এই এলাকায় স্থায়ী নদীবাঁধ তৈরির দাবি করতেন। স্থায়ী কংক্রিটের বাঁধ না থাকায় প্রতি বছরই ভাঙনের আশঙ্কা থাকত। এই নিয়ে বহুবার দাবি উঠলেও সমস্যার সমাধান হচ্ছিল না। তবে অবশেষে এলাকাবাসীদের সেই দাবি পূরণ হতে চলেছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এখানে নতুন প্রযুক্তিতে শক্তিশালী ফাউন্ডেশন ও সুরক্ষিত কাঠামো নির্মিত হবে, যাতে উচ্চ জোয়ার ও জলোচ্ছ্বাসের চাপ সামলানো যায়। পাশাপাশি একটি জেটিঘাটও তৈরি হচ্ছে, যাতে যাতায়াতের সুবিধা বাড়ে। নতুন জেটিঘাট নির্মাণ হলে সরাসরি সীতারামপুরে নামা যাবে। ফলে পর্যটকদের গোবর্ধনপুর সমুদ্র সৈকতে যেতে কম সময় লাগবে। এখন চাঁদমারি ঘাটে নামতে হয়। জানা যাচ্ছে, নতুন জেটিঘাট সম্পূর্ণ হতে আরও মাস ছয়েক লাগবে।






