সুন্দরবন বা উপকূলীয় এলাকার মতো ম্যানগ্রোভ অরণ্য রক্ষায় এটি কাজ করবে। যেখানে সাধারণত ম্যানগ্রোভের জীববৈচিত্র্য প্রদর্শন, চারা উৎপাদন, এবং টেকসই ব্যবস্থাপনার জ্ঞান প্রদান করা হয়। ম্যানগ্রোভ অরণ্য পুনরুদ্ধার এবং এর ওপর গবেষণার মাধ্যমে জীববৈচিত্র্য রক্ষা করাই হবে এই গবেষণা কেন্দ্রের লক্ষ্য।
আরও পড়ুন: অ্যাকশনে বন দফতর, গরুমারার রাস্তায় এইসব ভুল করলে ফাঁসবেন পর্যটকরা! নিয়ম ভাঙলেই হবে বড় শাস্তি
advertisement
স্থানীয় জনগণ এবং দর্শকদের ম্যানগ্রোভের গুরুত্ব সম্পর্কে শিক্ষিত করা। ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ ও প্রাণীকুল সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করা একাধিক কাজ করবে এই আরণ্যক ম্যানগ্রোভ রিসোর্স সেন্টার। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি হ্রাস এবং উপকূলীয় বাস্তুতন্ত্র রক্ষায় ভূমিকা রাখার মত কাজ এবং বাইরে থেকে এখানে এসে গবেষণা করতে পারবেন। ব্রিজের নীচে পর্যটন কেন্দ্র করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
কালো বাইন, পেয়ারা বাইন, কাঁকড়া বকুল, কাঁকড়া, গর্জন, হরগোজা, খালসি ধানী, খালসি টক ক্যাওড়া প্রভৃতি জাতের ম্যানগ্রোভ গাছ লাগানো হবে এর মাধ্যমে। ম্যানগ্রোভ কেন্দ্র তৈরি হয়ে গেলে আর ম্যানগ্রোভ বৃক্ষ জোগাড় করতে হবে না। তাতে সুন্দরবনকে বিশ্ব উষ্ণায়নের হাত থেকে বাঁচাতে সুবিধাই হবে। এই পদক্ষেপে খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। এখানে তাঁরা কাজ পেয়ে কর্মসংস্থান করতে পারবেন বলে খুবই খুশি।





