এই সময়ের মধ্যে মাছ ধরা পুরোপুরি বন্ধ করতে সকলের এগিয়ে আসতে হবে বলে মত মৎস্যজীবী সংগঠনগুলির। প্রত্যেক বছর এই সময়টায় নজরদারির অভাবে দেখা যায় ছোট মাছও ধরা হচ্ছে। এই নজরদারিতে প্রশাসনের গাফিলতি থেকে যায় বলে দাবি মৎস্যজীবী সংগঠনের।
আরও পড়ুনঃ কম খরচে অধিক ফলন! এই পদ্ধতিতে টমেটো চাষ করে হতে পারেন মালামাল, দিশা দেখাচ্ছেন হেমতাবাদের চাষি
advertisement
এই বিষয়ে মৎস্যজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে হারাধন ময়রা জানান, আইনের সঠিক প্রয়োগ না হলে এই কাজ চলবে। এতে অনেক মৎস্যজীবী ক্ষতির মুখে পড়েন। কিন্তু সঠিক নজরদারি চালালে তা আর হবে না। কীভাবে এই ঘটনা ঘটছে তা খুঁজে বের করতে হবে। নাহলে এই ঘটনায় যেসকল মৎস্যজীবীরা ব্যান পিরিয়ড মানছে তাঁদের ক্ষতি হয়। প্রশাসনের এই দিকে নজর দেওয়া উচিত।
প্রশাসনের তরফ থেকে বারবার মিটিং করে ছোট মাছ ধরা যাবে না বলে মৎস্যজীবীদের বলা হয়েছে। এরপরেও যদি কেউ প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে সেক্ষেত্রে প্রশাসন অবিলম্বে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করুক বলে দাবি মৎস্যজীবী সংগঠনগুলির।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই প্রসঙ্গে মৎস্যজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে অলোক হালদার জানান, ব্যান পিরিয়ড রক্ষা করতে না পারলে ভবিষ্যতে মাছ পাওয়া যাবে না। এই সময় সরকারি আইন না মানলে বোট বাজেয়াপ্ত, জেল, জরিমানা সবই হতে পারে। কিন্তু নজরদারি বাড়াতে হবে।





