তরুণ মণ্ডলের নাম এসআইআর-এর খসড়া তালিকায় ‘বিচারাধীন’ ছিল। বিচারের পর আবার তালিকা প্রকাশ করা হয় সেখানে ‘বিচারাধীন’ থেকে সরাসরি ‘বাদের’ তালিকায় নাম চলে যায় তাঁর। ঘটনার জেরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। এই জেলায় তিনি সাংসদ ছিলেন।
advertisement
পেশায় চিকিৎসক তরুণ মণ্ডল এলাকায় জনপ্রিয় ব্যক্তি। ২০০৯ সালে জয়নগর লোকসভা আসনে তৃণমূল জোটের সমর্থনে এসইউসি প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে সাংসদ হিসেবে দিল্লিতেও গিয়েছিলেন। এ নিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে দেখা করেছেন তরুণ মণ্ডল।
আরও পড়ুন: শ্রবণশক্তি হারিয়েছেন অলকা ইয়াগনিক, গান গাইতে পারছেন না! বিরল রোগে আক্রান্ত গায়িকা কী জানালেন?
এরপর তিনি জানিয়েছেন, “সরকারি চাকরি করতাম। পেনশন পাই। সাংসদ ছিলাম। এক ডজন নথি দিয়েছি। যা করার ট্রাইবুনাল করবে, তেমনই কমিশন থেকে জানানো হয়েছে।” এই বিষয়ে দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও লোকসভার বর্তমান অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে তিনি চিঠি পাঠাবেন বলে জানা গিয়েছে। তিনি সাংসদ ছিলেন। তাঁর এমন হলে সাধারণ মানুষদের কী হবে সেই আশঙ্কার কথা উঠে এসেছে তাঁর কথায়।
এই বিষয় নিয়ে এবার পথে নামতে চলেছে এসইউসিআই। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর লোকসভা কেন্দ্রের অধীনে বিভিন্ন জায়গায় এখনও তাঁদের প্রভাব রয়েছে। ফলে এই বিষয়টি এখন কতদূর যায় সেটাই এখন দেখার বিষয়।






