সূত্রের খবর, চলতি অর্থবর্ষে সরকারি ধান ক্রয় কেন্দ্রে ধান বিক্রি করার জন্য দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৯৮ হাজার কৃষক নাম নথিভুক্ত করেছিলেন। কিন্তু তাঁদের মধ্যে বিভিন্ন সেন্ট্রালাইজড প্রকিওরমেন্ট সেন্টারে গিয়ে উৎপাদিত ধান বিক্রি করেছেন ৭৪ হাজারের মতো কৃষক। অর্থাৎ বাকি ২৪ হাজার কৃষক আসেননি। বাকিরা কেন সরকারি জায়গায় ধান বিক্রি করলেন না তার খোঁজ শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন আধিকারিকরাও। এরপর ধান কেনার টার্গেট আর খুব বেশি বাড়ানো হচ্ছে না বলেই ধারণা করছেন সকলে।

advertisement

আরও পড়ুনঃ ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক থেকে জ্বালানি উৎপাদন! মুর্শিদাবাদের কলেজ পড়ুয়াদের তাক লাগানো মডেল, জ্বালানি সংকট নিরসনে নয়া দিশা

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় প্রথমে ২ লক্ষ ৩০ হাজার মেট্রিক টন ধান কেনার টার্গেট দেওয়া হয়েছিল। পরে দু’বার সেই সংখ্যা সংশোধন করে আপাতত ২ লক্ষ ৭ হাজার মেট্রিক টন ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা স্থির হয়। তার মধ্যে ১ লক্ষ ৯ হাজার মেট্রিক টন ধান কেনা হয়েছে।

advertisement

View More

এদিকে এই ঘটনার পর খাদ্য বিভাগের চিন্তা, এবার কীভাবে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা হবে? কারণ এই ধান পরবর্তী সময়ের জন্য মজুত থাকে। লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলে মজুতে টান পড়বে। এই পরিস্থিতিতে কৃষকরা যাতে ধান বিক্রি করেন সেই জন্য প্রচার চালানো হচ্ছে।

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

advertisement

জানা যাচ্ছে, এই বছর সব কৃষকরা যদি অল্প করে হলেও ধান বিক্রি করতেন, তাহলে টার্গেটের অনেকটাই কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়া যেত। ঠিক কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, সেটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।