বিধায়ক বলেন, অনেক দিন ধরে পরিকল্পনা ছিল এই কাজের। আগামী বছর বাজির বাজার শুরু হওয়ার আগে দমকল পরিষেবার সুফল পাবেন ব্যাবসায়ীরা। বাজি ব্যাবসায়ীরাও খুশি দমকল কেন্দ্র নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ায়।
আরও পড়ুনঃ বাঁকুড়ায় এই প্রথম! ছাতনা হাসপাতালে চালু বিকেলের আউটডোর পরিষেবা, সোম থেকে শনি বসবেন ডাক্তার
advertisement
দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার চম্পাহাটির কাছে অবস্থিত হাড়ালে দমকল কেন্দ্র নির্মাণের দাবি দীর্ঘদিনের। স্বয়ং বিধায়ক এর জন্য উদ্যোগী হয়েছিলেন। জানা গিয়েছে, প্রায় ১ বিঘা জমিতে হবে দমকল কেন্দ্র। ইতিমধ্যেই জায়গা পরিদর্শন করে গিয়েছেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। দুটি দমকলের ইঞ্জিন থাকার কথা বলা হয়েছে।
হাড়াল থেকে বারুইপুর ফুলতলার দূরুত্ব প্রায় ৮ কিলোমিটার। বাজি বাজারে কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে বারুইপুর থেকে দমকলের পৌঁছতেই লেগে যেত ঘণ্টা খানেক। এর জেরে সমস্যায় পড়তে হত ব্যাবসায়ীদের। তাই বাজি ব্যাবসায়ীরা চেয়েছিলেন হাড়ালেই দমকল কেন্দ্র হোক। এই নিয়ে তাঁরা স্থানীয় বিধায়কের কাছে দরবারও করেছিলেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
দীপাবলির আগে হাড়ালের বাজি বাজার থাকে জমজমাট। চম্পাহাটি, বেগমপুর, সাউথ গড়িয়া এই তিনটি পঞ্চায়েতের কয়েক হাজার মানুষ এই বাজি শিল্পের সঙ্গে জড়িত। বাজি ব্যাবসায়ীরা বলেন, দমকলের ইঞ্জিন কাছাকাছি থাকলে আগুন লাগলে দ্রুত এসে তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন কর্মীরা। এটার খুবই দরকার ছিল এলাকায়।






