তিন দিনব্যাপী এই শিল্প উৎসবে পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু শিল্পী অংশগ্রহণ করেন। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশ নেপাল, বাংলাদেশ এবং ভুটান থেকেও শিল্পীরা এই উৎসবে যোগ দেন। বিদেশ থেকে মোট সাতজন শিল্পী অংশগ্রহণ করেন। নেপাল থেকে দুজন, বাংলাদেশ থেকে চারজন এবং ভুটান থেকে একজন। সব মিলিয়ে দেশ ও বিদেশের প্রায় ৫০ জন শিল্পী এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে অংশ নেন। পাশাপাশি প্রতিযোগিতামূলক বিভিন্ন বিভাগে প্রায় পাঁচশো শিল্পী অংশগ্রহণ করেন।
advertisement
চিত্রাঙ্কন, ভাস্কর্য নির্মাণ, নৃত্য এবং সঙ্গীত-সহ শিল্পের বিভিন্ন ধারার উপস্থাপনায় দর্শকদের সামনে ধরা পড়ে শিল্পের বৈচিত্র্যময় রূপ। প্রতিটি শিল্পীর তুলির টান, রঙের ব্যবহার এবং মাটির ছোঁয়ায় টংতলা এলাকা যেন এক জীবন্ত শিল্প প্রদর্শনীতে পরিণত হয়। স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে শিল্পপ্রেমী মানুষজন ভিড় জমিয়ে উপভোগ করেন এই অনন্য আয়োজন।
এই উৎসবের মূল লক্ষ্য ছিল শিল্পের আদান-প্রদান এবং নতুন প্রজন্মের কাছে চারু ও কারুকলার গুরুত্ব তুলে ধরা। আয়োজকদের মতে, শিল্পের কোনও সীমানা নেই। তাই দেশ-বিদেশের শিল্পীদের এক ছাদের তলায় এনে পারস্পরিক ভাবনার আদান-প্রদান ঘটানোই ছিল এই উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই মহতী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার মানুষ। তাদের মতে, বারুইপুরের মতো জায়গায় এমন আন্তর্জাতিক মানের শিল্প উৎসবের আয়োজন নিঃসন্দেহে এলাকার সাংস্কৃতিক পরিবেশকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। উৎসবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী নারায়ণ দাস এবং শিল্পী রণজিৎ কুমার রাও। তারা এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, বারুইপুরে এমন শৈল্পিক আয়োজন স্থানীয় শিল্পানুরাগীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।
আয়োজকদের আশা, সাধারণ মানুষ ও প্রশাসনের আরও সহযোগিতা পেলে আগামী দিনে এই উৎসবকে আরও বড় পরিসরে আয়োজন করা সম্ভব হবে এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও এর বিস্তার ঘটবে। শিল্পের এই মিলনমেলা আগামী দিনেও একইভাবে চলবে বলেই আশাবাদী আয়োজক থেকে শুরু করে অংশগ্রহণকারী সকল শিল্পী।





