সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় একটি বিউটি পার্লার চালাতেন তিনি। মঙ্গলবার দুপুর প্রায় ১২টা ৫ মিনিট নাগাদ স্বামী অনুপ কুমার দাস নিজেই স্ত্রীকে পার্লারের সামনে নামিয়ে দিয়ে যান। প্রতিদিনের মতোই পার্লার খুলে কাজ শুরু করেছিলেন রূপবাণী দেবী। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটে যায় ভয়াবহ ঘটনা। ১২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ আচমকাই পার্লার থেকে ফোন যায় বাড়িতে। ফোনে জানানো হয়, পার্লারের ভিতরে মারামারি চলছে। খবর পেয়ে স্বামী, ছেলে ও পরিবারের অন্য সদস্য দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন। সেখানে গিয়ে তারা দেখেন, চারিদিকে রক্তে ভেসে যাচ্ছে এলাকা এবং রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে রয়েছেন রুপবাণী। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এক যুবক পার্লারের ভিতরে ঢুকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে রূপবাণী দেবীর উপর হামলা চালান। গুরুতর জখম হয়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে অনুমান। এরপর ওই যুবক নিজেই নিজের গলায় ধারাল অস্ত্র চালিয়ে আত্মঘাতী হন।
advertisement
আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গে ভোটের প্রচারে যাওয়ার আগে SIR-সহ একাধিক ইস্যুতে কমিশনকে আক্রমণ নেত্রী মমতার
পুলিশ সূত্রে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবক কাশ্মীরের বাসিন্দা। তাঁর সঙ্গে মৃতের একটি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলে দাবি স্থানীয়দের একাংশের। সেই সম্পর্কের টানাপোড়েন থেকেই এই মর্মান্তিক ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। যদিও গোটা বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষ। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। এলাকা ঘিরে ফেলে তদন্ত শুরু করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে রক্তমাখা ধারালো অস্ত্র। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরো ঘটনার পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তের পরিচয়, তার অতীত এবং মহিলার সঙ্গে সম্পর্কের প্রকৃতি—সব দিকই তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দিনের বেলায় জনবহুল এলাকায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, খুব শীঘ্রই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ সত্য সামনে আনা হবে।






