শিশু সংসদ নির্বাচনে নকল কেন্দ্রীয় বাহিনী সেজে দাঁড়িয়েছিল ছাত্র-ছাত্রীরাই। ছাত্র-ছাত্রীরা সমস্ত নিয়ম মেনে ভোট দিয়েছে তাদের পছন্দের প্রার্থীদের। এই ঘটনায় সাড়া পড়ে গিয়েছে এলাকায়। আয়োজনের কোথাও খামতি ছিল না। সকাল থেকে ভোট দেওয়ার জন্য ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলের দরজার সামনে লাইন দিয়ে দাঁড়ায়। প্রত্যেকের কাছে ছিল বিদ্যালয় থেকে দেওয়া নিজস্ব পরিচয়পত্র। লাইন সামলাতে ও এলাকার নিরাপত্তার স্বার্থে নকল কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল।
advertisement
তাদের হাতে ছিল প্লাস্টিকের মেশিনগান। এছাড়াও ছিল কালো পোশাকের রিজার্ভ ফোর্স। ক্লাস রুমের ভিতরে বেঞ্চে বসেছিল প্রার্থীর একজন করে এজেন্ট। তাদের প্রত্যেকের কাছেই ছিল ভোটার তালিকা। পড়ুয়ারা ভিতরে ঢুকলেই তাদের নাম জিজ্ঞেস করে এজেন্টরা পেনে টিক চিহ্ন দিচ্ছেন।
বেঞ্চে বসেছিলেন নির্বাচনী অফিসাররা। প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসার উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা পড়ুয়াদের নাম জিজ্ঞেস করার পর ভোটার তালিকায় টিক চিহ্ন দেন। তাঁর পাশে বসে থাকা অফিসার পড়ুয়ার আঙুলে লাগিয়ে দেন ভোট দেওয়ার কালি। পাশের অফিসাররা ব্যালট পেপার মুড়ে হাতে ধরিয়ে দেন।
এরপর এক একজন পড়ুয়া ব্যালটে ভোট দিয়ে ব্যালট মুড়ে আবার বাক্সে ঢুকিয়ে দেয়। নির্বাচন কেমন হয় সেই ব্যাপারটি পড়ুয়াদের শেখাতেই এমন আয়োজন করা হয়েছিল। একদিকে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ডামাডোল বেজে গিয়েছে। তার মধ্যে মথুরাপুরের স্কুলে শিশু সংসদ নির্বাচন সাড়া ফেলেছে এলাকায়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই নির্বাচন নিয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক দীপঙ্কর পুরকাইত জানিয়েছেন, “এখন ওরা ছোট, ভোট প্রক্রিয়া কেমন ওরা কিছুই জানে না। আমরা নমুনা ভোট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শিশু সংসদ গঠন করেছি। এখানে প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, খাদ্যমন্ত্রী-সহ ছয় জনের একটি মন্ত্রীমন্ডলি গঠন হয়েছে।
এখানে সব থেকে বেশি ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে বিথীকা বর সে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছে। এই নির্বাচন নিয়ে খুশি সকলেই। এই ঘটনা নজির সৃষ্টি করেছে এলাকায়।”





