এ নিয়ে বিরিয়ানি দোকানদার কৃষ্ণ হালদার জানিয়েছেন, আসলে বিরিয়ানির দাম ৯০ টাকা। কিন্তু সবাই যাতে খেতে পারে তার জন্য চালের পরিমাণ ও চিকেনের পিস ছোট করে ৭০ টাকা এবং একেবারে হাফ করে ৩৫ টাকতেও দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে।
advertisement
যার ফলে স্বাদের খুব একটা পরিবর্তন হচ্ছে না। কিন্তু কম পরিমাণে হলেও বিরিয়ানি মিলছে। ইতিমধ্যেই সাধারণ মানুষজনের কাছ থেকে ভাল সাড়া মিলেছে। ফলে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে এমন বিরিয়ানি পয়েন্ট খোলা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। জয়নগর, মথুরাপুর, কৃষ্ণচন্দ্রপুর-সহ একাধিক জায়গায় এই আউটলেট খোলা হবে। কম দামে বিরিয়ানি দেওয়ার ঘোষণা দিতেই প্রথমদিন ১৫ মিনিটে বিরিয়ানি শেষ হয়ে যায়। ফলে খুবই উৎসাহিত উদ্যোক্তারা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
উল্লেখ্য শুধু বিরিয়ানি নয়, বিরিয়ানির সঙ্গে থাকছে ছোট কোল্ড ড্রিংকস, একটু দামি বিরিয়ানি নিলে থাকছে লাইট। ৩৫, ৪০, ৭০, ৯০ এরকম রেঞ্জে বিক্রি হচ্ছে বিরিয়ানি। শুধুমাত্র হেরফের হচ্ছে বিরিয়ানির পরিমাণে। এই ধরণের ঘোষণাতেই সাধারণ মানুষজনের মধ্যে সাড়া পড়ে গিয়েছে। বিরিয়ানি কিনতে ভিড় জমাচ্ছেন আট থেকে আশি সকলেই। এদিকে এই বিরিয়ানি নিয়ে সাধারণ মানুষজনের মধ্যে কৌতূহল বাড়ছে। এত কম দামে বিরিয়ানি পাওয়ার খবর শুনেই অনেকে ভিড় করছেন। বিরিয়ানি বিক্রির নতুন স্ট্রাটেজি অবাক করছে সকলের।





