যাত্রীসংখ্যা বাড়তেই 'স্টেশন'...! বসিরহাটে গড়ে ওঠা 'ভ্যাবলা হল্ট' এখন হাজার হাজার প্যাসেঞ্জারের ভরসা
- Reported by:JULFIKAR MOLLA
- Published by:Sanjukta Sarkar
Last Updated:
New Station In West Bengal: ১৯৫৫ সালে পুরনো বসিরহাট স্টেশনটি তুলে দেওয়া হয় এবং সেই স্থানে গড়ে ওঠে বর্তমানের ৭২ নম্বর বাসস্ট্যান্ড। পরবর্তীতে ১৯৬১ সালে ব্রড গেজ রেললাইন চালু হওয়ার মধ্য দিয়ে এলাকায় রেল পরিষেবার নতুন সূচনা হয়। যদিও শুরুতে লাইনটি ছিল সিঙ্গেল, তবুও সেটিই ছিল গ্রামাঞ্চল থেকে শহরে পৌঁছনোর সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম।
advertisement
সাহিত্যিক বিশ্বজিৎ বন্দোপাধ্যায় জানান, ইতিহাস বলছে, ১৯৫৫ সালে পুরনো বসিরহাট স্টেশনটি তুলে দেওয়া হয় এবং সেই স্থানে গড়ে ওঠে বর্তমানের ৭২ নম্বর বাসস্ট্যান্ড। পরবর্তীতে ১৯৬১ সালে ব্রড গেজ রেললাইন চালু হওয়ার মধ্য দিয়ে এলাকায় রেল পরিষেবার নতুন সূচনা হয়। যদিও শুরুতে লাইনটি ছিল সিঙ্গেল, তবুও সেটিই ছিল গ্রামাঞ্চল থেকে শহরে পৌঁছানোর সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য যোগাযোগ ব্যবস্থা।
advertisement
যাত্রীসংখ্যা বাড়তে থাকায় বসিরহাট শহরের উপকণ্ঠে নতুন স্টেশনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। সেই প্রেক্ষাপটে ১৯৮০ সালে বসিরহাট টাউনের পাশে গড়ে ওঠে ভ্যাবলা হল্ট স্টেশন। ছোট আকারের হলেও দ্রুতই এটি স্থানীয় মানুষের অন্যতম প্রধান নির্ভরস্থল হয়ে ওঠে। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ট্রেন চলাচলের ফলে স্টেশন চত্বর সর্বদা ব্যস্ত ও প্রাণবন্ত থাকে।
advertisement
সময়ের সঙ্গে রেল পরিষেবার উন্নয়নের বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ২০১৮ সালে বেলিয়াঘাটা থেকে চাঁপাপুকুর পর্যন্ত ডবল লাইন চালু হলেও ভ্যাবলা পর্যন্ত সেই কাজ এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। ইতিমধ্যে চাঁপাপুকুর থেকে হাসনাবাদ পর্যন্ত ডবল লাইনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে ভ্যাবলা স্টেশনের গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
advertisement
বর্তমানে ভ্যাবলা হল্টে রয়েছে একটি প্ল্যাটফর্ম, একটি রেললাইন, পানীয় জলের ব্যবস্থা ও সীমিত অবকাঠামো। তবুও প্রতিদিন কয়েক হাজার যাত্রী এখান থেকে ওঠানামা করেন। ২০২৫ সালের ইউটিএস আয়ের নিরিখে শিয়ালদা ডিভিশনের ২০৩টি স্টেশনের মধ্যে ভ্যাবলা ৭৮তম স্থানে এবং বারাসাত–হাসনাবাদ লাইনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে— যা এই ছোট স্টেশনের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বকেই তুলে ধরে।
advertisement
ভ্যাবলা হল্ট আজ শুধুমাত্র একটি রেলস্টেশন নয়, এটি বসিরহাট ও সংলগ্ন এলাকার মানুষের আশা, সংগ্রাম ও স্বপ্নের প্রতীক। ডবল লাইন প্রকল্প সম্পূর্ণ হলে এই অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও গতিশীল হবে, আর ভ্যাবলা স্টেশন ভবিষ্যতে বসিরহাট শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার হিসেবে আরও শক্ত অবস্থান গড়ে তুলবে।







