আরও পড়ুনঃ সাত স্কুলের মাধ্যমিক পরীক্ষার সেন্টার এক জায়গায়, কড়া নিরাপত্তায় বাকুলদা হাইস্কুল
হাদিপুর–ঝিকড়া ২ পঞ্চায়েতের মানিকপুর গ্রামের বাসিন্দা, ৩ ফুট ৫ ইঞ্চি উচ্চতার মনোরঞ্জন জীবনের প্রায় ৩০ বছর দেশের নামী সার্কাস সংস্থায় খেলা দেখিয়ে মানুষকে আনন্দ দিয়েছেন। অলিম্পিক সার্কাস, সম্রাট সার্কাস, অজান্তা সার্কাস-সহ একাধিক সংস্থার হয়ে মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, মুম্বই, দিল্লি-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কাজ করেছেন তিনি। কিন্তু আজ তাঁর দু’টি পা সম্পূর্ণ অচল।
advertisement
এস আই আর হিয়ারিংয়ে এসে হয়রানির অভিযোগের পাশাপাশি নিজের দুর্দশার কথাও তুলে ধরেন মনোরঞ্জন। তাঁর দাবি, বাবা-মায়ের বয়সের পার্থক্য ১৫ বছর হওয়ায় নথি সংক্রান্ত জটিলতায় পড়তে হচ্ছে। কাগজপত্র ঠিক না হলে ভোট দিতে পারবেন না—এই আশঙ্কায় ভুগছেন তিনি। এমনকী ভোটাধিকার না থাকলে তাঁকে বাংলাদেশ পাঠিয়ে দেওয়া হবে, এমন আতঙ্কের কথাও জানান মনোরঞ্জন। বিশেষভাবে সক্ষম একজন নাগরিকের এই পরিস্থিতি প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মানবিক দিক নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিল।
