শিলিগুড়ি কলেজের সামনে প্রতিদিন সাইকেল বসিয়ে দোকান সাজান তিনি। ৩০ টাকায় হাফ প্লেট, ৫০ টাকায় ফুল প্লেট। স্বাদ আর সাশ্রয়ী দামের জোরে ছাত্রছাত্রীদের ভিড় লেগেই থাকে। ইউটিউবে ভিডিও দেখে মাথায় আসে এই ব্যবসার ভাবনা। শহরে দই বড়ার আলাদা বাজার নেই বুঝেই সাহস করে শুরু করেন। আগে বিভিন্ন জায়গায় কাজ করলেও, নিজের কিছু করার ইচ্ছেই তাঁকে নতুন পথে হাঁটতে শেখায়।
advertisement
শুরুটা সহজ ছিল না। সাইকেলকে নিজে হাতে বদলে বানিয়েছেন ছোট্ট চলন্ত দোকান। প্রতিদিনের আয় দিয়েই চলছে সংসার, ভাইয়ের পড়াশোনার খরচও তিনিই বহন করেন। ভাইয়ের ভবিষ্যৎ গড়াই এখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য। নিজের অপূর্ণ স্বপ্ন সরিয়ে রেখে ভাইয়ের স্বপ্ন পূরণ করতেই দৃঢ়প্রতিজ্ঞ শ্রীমান। শ্রীমান বলেন, “আমি বড় কিছু করতে পারিনি, কিন্তু আমার ভাই যেন নিজের স্বপ্নটা পূরণ করতে পারে সেটাই চাই।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
দই বড়ার ব্যবসাটা যদি ভালভাবে দাঁড়িয়ে যায়, তাহলে আবার পড়াশোনায় ফিরতে চাই। লেখালিখি আর কবিতা খুব ভালবাসি। একদিন নিজের মতো করে কিছু লিখে পরিচিত হতে চাই।” একদিকে সংসারের লড়াই, অন্যদিকে স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখার জেদ। এই দুইয়ের মেলবন্ধনেই এগিয়ে চলেছেন শ্রীমান বোস। তাঁর সাইকেলের দই বড়া যেমন মানুষের মন জিতছে, তেমনই তাঁর অধ্যবসায় ও দায়িত্ববোধ হয়ে উঠছে অনেকের কাছে অনুপ্রেরণার গল্প।





