TRENDING:

Bankura Tourism: ইঞ্জিনের শব্দ ছাড়াই কংসাবতীর বুকে শান্তির ভ্রমণ, মুকুটমনিপুরের ডিঙ্গি নৌকার গল্প

Last Updated:

Bankura Tourism: মুকুটমনিপুরে বড় মোটরচালিত নৌকার আড়ালে আজও নীরবে পড়ে আছে হাতে টানা ডিঙ্গি নৌকার শান্ত জলভ্রমণ।কম খরচে পরিবেশবান্ধব এই যাত্রা পর্যটকদের নতুন অভিজ্ঞতার পাশাপাশি স্থানীয় নৌকাচালকদের জীবিকায় নতুন দিশা দেখাতে পারে।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
মুকুটমনিপুর, বাঁকুড়া, নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়: বাঁকুড়ার রানী মুকুটমনিপুর মানেই পর্যটকদের চোখে আগে ভেসে ওঠে কংসাবতী জলাধারের বিশাল জলরাশি আর বড় বড় মোটরচালিত নৌকো। ছুটির দিনে দূরদূরান্ত থেকে আসা পর্যটকেরা ভিড় করেন এই নৌকোগুলিতেই। অথচ এই আড়ম্বরের আড়ালেই নীরবে পড়ে থাকে এক উপেক্ষিত অভিজ্ঞতা—হাতে টানা ডিঙ্গি নৌকার যাত্রা।কংসাবতী জলাধারের পাড়ে সারি দিয়ে রোদ পোহাতে দেখা যায় ছোট ছোট ডিঙ্গি নৌকা।
advertisement

পর্যটকদের অধিকাংশের নজরই পড়ে না সেদিকে। বড় নৌকায় চড়তে যেখানে মাথাপিছু খরচ পড়ে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ টাকা, সেখানে এই ডিঙ্গি নৌকায় মাত্র ৫০ টাকাতেই মিলতে পারে জলভ্রমণের সুযোগ। কম খরচে এমন অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও ডিঙ্গি নৌকাগুলি যেন ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে পর্যটনের মূল স্রোত থেকে। এই নৌকাগুলির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য—এগুলিতে নেই কোনও ইঞ্জিন। দাঁড়ের টানে ধীরে ধীরে এগিয়ে চলে নৌকা। ফলে নেই ইঞ্জিনের বিকট আওয়াজ, নেই ধোঁয়া কিংবা তেলের গন্ধ।

advertisement

আরও পড়ুনঃ মোজা পরার পরেও আপনার পা ঠান্ডা থাকে…? সাবধান, ভয়ঙ্কর ‘এই’ রোগ হানা দেয়নি তো? জানুন বিশেষজ্ঞের মত

শুধু দাঁড়ের ছলাৎ ছল শব্দ আর চারপাশে নীল জলের নিস্তব্ধতা। ডিঙ্গি নৌকাগুলি অনায়াসেই পৌঁছে যায় বাঁধের মাঝখান পর্যন্ত, যেখানে বসে কিছুক্ষণ থাকলেই অনুভব করা যায় প্রকৃতির এক অন্যরকম শান্ত রূপ। পর্যটকদের কথায়, এই নীরব যাত্রা অনেক বেশি ব্যক্তিগত ও মন ছুঁয়ে যাওয়া। নীল জলের মাঝে নৌকায় বসে থাকা, দূরে বাঁধ আর পাহাড়ের রেখা দেখা—সব মিলিয়ে এই অভিজ্ঞতা মনে থেকে যায় দীর্ঘদিন। বড় নৌকোর ভিড় আর কোলাহল থেকে দূরে, ডিঙ্গি নৌকার এই সাইলেন্ট জার্নি যেন মুকুটমনিপুরের আসল সৌন্দর্যকে নতুন করে চিনিয়ে দেয়।

advertisement

View More

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
ইঞ্জিনের শব্দ ছাড়াই কংসাবতীর বুকে শান্তির ভ্রমণ, মুকুটমনিপুরের ডিঙ্গি নৌকার গল্প
আরও দেখুন

পর্যটন বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিবেশবান্ধব এই হাতে টানা নৌকাগুলিকে আরও বেশি করে তুলে ধরলে একদিকে যেমন পর্যটকদের নতুন অভিজ্ঞতা মিলবে, তেমনই স্থানীয় নৌকাচালকদের জীবিকাও আরও মজবুত হবে। মুকুটমনিপুরে তাই বড় নৌকার পাশাপাশি যদি ডিঙ্গি নৌকার কাহিনিও নতুন করে আলোয় আসে, তবে এই পর্যটন কেন্দ্রের আকর্ষণ যে আরও বাড়বে, তা বলাই বাহুল্য।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Bankura Tourism: ইঞ্জিনের শব্দ ছাড়াই কংসাবতীর বুকে শান্তির ভ্রমণ, মুকুটমনিপুরের ডিঙ্গি নৌকার গল্প
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল