TRENDING:

East Medinipur News: পেটে ভাত জোটাতে হিমশিম থেতে হয়! তবু আজও নিজেদের ঐতিহ্য টিকিয়ে রেখেছে পটাশপুরের শাঁখারিপাড়া

Last Updated:

আঞ্চলিক ইতিহাস গবেষক মন্মথ দাস তাঁর ‘পটাশপুরের সেকাল একাল’ গ্রন্থে জানিয়েছেন, লবণ সত্যাগ্রহ আন্দোলনের সময়, ১৯৩০ সালের ১লা জুন প্রতাপদিঘি খালপাড়ে পুলিশের গুলিতে তিনজন সত্যাগ্রহী শহিদ হন। ওই দিন পুলিশের অত্যাচারে তছনছ হয়ে যায় শাঁখারিপাড়া। বহু বাড়িঘর লুণ্ঠিত হয়।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
পটাশপুর, মদন মাইতি: আজও নিজেদের ঐতিহ্য টিকিয়ে রেখেছে পটাশপুরের শাঁখারিপাড়া। রোজগার কমেছে। দু’ বেলা ভাতের জোগাড় করতে হিমশিম খেতে হয়। তবুও প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে নিজেদের ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রেখেছেন তাঁরা। আজও বানিয়ে চলেছেন শঙ্খ। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুর ২ ব্লকের খড়িকা পাটনা ও বাগমারির শাঁখারিপাড়া সাক্ষী থেকেছে বহু রক্তাক্ত ইতিহাসের।
advertisement

আঞ্চলিক ইতিহাস গবেষক মন্মথ দাস তাঁর ‘পটাশপুরের সেকাল একাল’ গ্রন্থে জানিয়েছেন, লবণ সত্যাগ্রহ আন্দোলনের সময়, ১৯৩০ সালের ১লা জুন প্রতাপদিঘি খালপাড়ে পুলিশের গুলিতে তিনজন সত্যাগ্রহী শহিদ হন। ওই দিন পুলিশের অত্যাচারে তছনছ হয়ে যায় শাঁখারিপাড়া। বহু বাড়িঘর লুণ্ঠিত হয়। চলে নির্মম অত্যাচার। পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারত। কিন্তু শাঁখের দুর্গন্ধে অস্থির হয়ে পড়ে বিট্রিশ পুলিশ। অল্প সময়ের মধ্যেই তারা এলাকা ছেড়ে চলে যায়। শাঁখশিল্পের সঙ্গে এই দুর্গন্ধ অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে রয়েছে।

advertisement

View More

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
বইমেলায় অদ্ভুত মূর্তি, কাছে যেতেই চমকে উঠছেন সবাই! আসল পরিচয় জানলে চোখে জল আসবে
আরও দেখুন

শাঁখশিল্পের কাঁচামাল আসে সমুদ্র থেকে। শ্রীলঙ্কা ও ভারতের কন্যাকুমারী সংলগ্ন অঞ্চল থেকেই মূলত শাঁখ তোলা হয়। ডাঙায় কয়েকদিন পড়ে থাকলে শাঁখের ভেতরের অংশ পচে যায়। তারপর সেগুলি ধুয়ে বস্তাবন্দি করা হয়। আগে কোলাঘাট ও মুর্শিদাবাদের মহাজনেরা শাঁখ পৌঁছে দিতেন। এখন পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নতির ফলে শিল্পীরা সরাসরি চেন্নাই থেকে শাঁখ আনেন। তবে সমস্যা বেড়েছে। ভারতীয় এলাকায় কাঁচা শাঁখের জোগান কমে গেছে। ফলে শাঁখের দাম বেড়েছে দু’ থেকে তিন গুণ। তবুও থেমে থাকেনি পটাশপুরের শাঁখারিপাড়া। সময়ের সঙ্গে বদলেছে কাজের পদ্ধতি। আগে হাতে করাত চালিয়ে শাঁখ কাটা হত। শিলনোড়ায় মাজা হত। সময় লাগত অনেক। এখন বিদ্যুৎ এসেছে বাড়ি বাড়ি। ছোট যন্ত্রে দ্রুত কাজ হচ্ছে। এক একটি যন্ত্রকে ঘিরে গড়ে উঠেছে ছোট কারখানা। যাঁদের কারখানা নেই, তাঁরা দৈনিক মজুরিতে কাজ করেন। এই শিল্পে যুক্ত বাড়ির ছেলে-মেয়েরাও। তবু শুধু শাঁখশিল্পে সংসার চলে না। তাই অনেকেই ধান চাষ করেন। সব প্রতিকূলতার মাঝেও এই পটাশপুরের এই শাঁখারিপাড়াকে কুর্নিশ জানাতেই হয়।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
East Medinipur News: পেটে ভাত জোটাতে হিমশিম থেতে হয়! তবু আজও নিজেদের ঐতিহ্য টিকিয়ে রেখেছে পটাশপুরের শাঁখারিপাড়া
Advertisement
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল