নাসিগ্রাম নেতাজি সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত সরস্বতী পুজোর থিম হিসেবে এবার তুলে ধরা হয়েছে দেশের গৌরবময় স্থাপত্য দিল্লির লালকেল্লা। সেই লালকেল্লার মধ্যেই অধিষ্ঠিত রয়েছেন কিউট সরস্বতী প্রতিমা। গ্রাম্য পরিবেশে এমন রাজকীয় ও নান্দনিক থিম দেখে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত সাধারণ গ্রামবাসী ও দর্শনার্থীরা।
advertisement
ক্লাবের সদস্য কুণাল চ্যাটার্জী বলেন, “আমাদের এখানে দূরদূরান্ত থেকে বহু মানুষ আসেন। পুজোর কয়েকটা দিন ব্যাপক ভিড় হয়। গ্রামবাংলার পুজো এখন কোনও অংশে পিছিয়ে নেই।” প্রায় কয়েক লক্ষ টাকা ব্যয়ে সাজিয়ে তোলা হয়েছে গোটা পুজো মণ্ডপ। শুধু থিম বা প্রতিমাতেই সীমাবদ্ধ নয় এই আয়োজন, দর্শনার্থীদের আকর্ষণের জন্য রাখা হয়েছে লেজার ও সাউন্ড শো-র বিশেষ ব্যবস্থা। লেজার লাইটের রঙিন আলোয় আরও বেশি প্রাণবন্ত হয়ে উঠছে লালকেল্লার আদলে তৈরি এই থিম।
নেতাজি সংঘের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, এই বছর সরস্বতী পুজোয় তাঁদের প্রধান আকর্ষণ কিউট সরস্বতী প্রতিমা হলেও, ঐতিহাসিক থিম ও আধুনিক প্রযুক্তির মেলবন্ধনই এই পুজোকে আলাদা করে তুলেছে। শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিন উপলক্ষ্যে এই থিম বিশেষভাবে দর্শনার্থীদের নজর কাড়বে বলেই আশাবাদী উদ্যোক্তারা।
গ্রামবাসী রুম্পা গোস্বামী বলেন, “গ্রামের পুজো, পাড়ার পুজো এত বড় করে হয় বেশ ভাল লাগে। পুজোর কয়েকটা দিন ভালই আনন্দ করি।” বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুজোর শুভ উদ্বোধন হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী অমর চাঁদ কুণ্ডু সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, গ্রামীণ এলাকায় থেকেও এমন বড় মাপের পুজোর আয়োজন সত্যিই অভাবনীয়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পুজো উদ্যোক্তাদের কথায়, প্রতি বছরই তাঁরা নিজেরা হাজার হাজার টাকা চাঁদা দিয়ে পুজোর আয়োজন করেন। সেই আন্তরিক প্রচেষ্টাতেই নাসিগ্রামের সরস্বতী পুজো আজ এক অন্য মাত্রা পেয়েছে। আগামী ২৬ জানুয়ারি, সোমবার পর্যন্ত সকল দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে এই থিম মণ্ডপ। বৃহস্পতিবার থেকেই দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। গ্রামবাংলার বুকে লালকেল্লার এই শিল্পরূপ নিঃসন্দেহে এবারের সরস্বতী পুজোর অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।





