স্যাক্সোফোনের মিষ্টি সুরে শ্রোতাদের মন জয় করে নিচ্ছেন সুকুমার। প্রতিটি মঞ্চে তার পরিবেশনা মুগ্ধ করছে দর্শকদের, আর সেই সঙ্গে ধীরে ধীরে বাড়ছে তার পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা। তার এই সাফল্যে গর্বিত এলাকার মানুষও। সুকুমার জানান, “আমাদের পরিবারে বংশপরম্পরায় বাদ্যযন্ত্র বাজানোর রীতি রয়েছে। ছোটবেলা থেকেই সেই পরিবেশের মধ্যেই বড় হয়েছি। সেখান থেকেই আমার স্যাক্সোফোন বাজানোর প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়।” সুকুমারের কথায়, “বর্তমানে সাধারণ বাজনার তুলনায় স্যাক্সোফোনের সুর মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আমিও এই বাদ্যযন্ত্র বাজাতে ভীষণ ভালবাসি।”
advertisement
আরও পড়ুন: ১৬ কোটিতে ১২০ ফুট লম্বা পাকা সেতু! এবার ইছামতির ওপর দিয়েই অনায়াসে পারাপার স্বরূপনগরে, উদ্বোধন কবে?
গ্রামের মাটিতে বেড়ে ওঠা এই শিল্পীর সাফল্যে গর্বিত এলাকাবাসী। তাদের বিশ্বাস, সুকুমারের নিরলস সাধনা ও সংগীতের প্রতি একাগ্রতা আগামী দিনে তাকে আরও বড় সাফল্যের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেবে এবং পুরুলিয়ার নামও উজ্জ্বল করবে বৃহত্তর সাংস্কৃতিক পরিসরে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ভবিষ্যতে স্যাক্সোফোনের সুরকেই সঙ্গী করে আরও বড় মঞ্চে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে চান পুরুলিয়ার এই তরুণ শিল্পী সুকুমার বাদ্যকর। ছোট গ্রাম থেকে শুরু হওয়া তার সংগীতযাত্রা আজ ধীরে ধীরে বিস্তৃত হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়। নিজের অধ্যবসায়, নিষ্ঠা ও সংগীতের প্রতি গভীর ভালবাসাকে পাথেয় করে তিনি এগিয়ে যেতে চান আরও বড় পরিসরে।





