বর্তমানে পুরুলিয়া জেলার সীমানা ছাড়িয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়মিত তবলা পরিবেশন করে চলেছেন অনুপবাবু। নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে বারবার সাফল্য অর্জন করেছেন, প্রায়শই প্রথম কিংবা দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে নিজের দক্ষতার প্রমাণ রেখেছেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ ফলনের হাসি নিমেষে উধাও! দক্ষিণ ২৪ পরগনার সবজি চাষিদের কপালে চিন্তার ভাঁজ, ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা
advertisement
এই সাফল্যের মাঝেও এক ধরনের আক্ষেপ রয়েছে শিল্পীর। আধুনিকতার প্রভাবে এবং ইলেকট্রনিক বাদ্যযন্ত্রের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তার ফলে ঐতিহ্যবাহী তবলার গুরুত্ব ধীরে ধীরে কমে আসছে বলে মনে করেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে নিরুৎসাহিত না হয়ে, বরং নতুন প্রজন্মের মধ্যে তবলার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছেন অনুপবাবু। শিক্ষাদান ও অনুপ্রেরণার মাধ্যমে তিনি তরুণদের এই বাদ্যযন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করছেন।
অনুপবাবুর এই উদ্যোগ শুধু একটি বাদ্যযন্ত্রকে টিকিয়ে রাখার প্রচেষ্টা নয়, বরং এক সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের হাতে তুলে দেওয়ার এক নিরলস প্রয়াস। তবলার মতো প্রাচীন ও সমৃদ্ধ সঙ্গীতধারাকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে তিনি একদিকে যেমন এই শিল্পের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সচেষ্ট, তেমনই তরুণদের মধ্যে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের প্রতি আগ্রহ ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
নিরলস পরিশ্রম, নিষ্ঠা এবং শিক্ষাদানের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের হাতে এক মূল্যবান সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার তুলে দেওয়ার কাজ করে চলেছেন পুরুলিয়ার শিল্পী। তাঁর এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে সমাজ ও সংস্কৃতির পক্ষে এক ইতিবাচক ও তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ।





