দীর্ঘদিনের নিয়মিত অনুশীলন ও একাগ্রতার ফলেই আজ তাঁর বাঁশির সুর জেলার গণ্ডি ছাড়িয়ে পৌঁছে গিয়েছে বিভিন্ন প্রান্তে। ইতিমধ্যেই একাধিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি, আজ তাঁর পরিবেশনা শ্রোতাদের মনে গভীর ছাপ ফেলেছে। রেলকর্মী রাকেশ সাউ জানান, “ছোটবেলা থেকেই সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের সঙ্গে তাঁর নিবিড় যোগ ছিল। ভারত স্কাউট অ্যান্ড গাইডসের হাত ধরেই চাকরি জীবনে প্রবেশের পাশাপাশি বাঁশি বাজানোর প্রতি তাঁর আগ্রহ আরও গভীর হয়।”
advertisement
তিনি আরও বলেন, “বাঁশির সুরের মাধুর্য তাঁকে এই বাদ্যযন্ত্রের প্রতি আকৃষ্ট করেছে। সেই টান থেকেই ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছে তাঁর দক্ষতা। ইতিমধ্যেই পুরুলিয়ার বাইরে বিভিন্ন জায়গায় অনুষ্ঠান করে তিনি প্রশংসা অর্জন করেছেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, ভারত স্কাউট অ্যান্ড গাইডসের সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি রাষ্ট্রপতি পুরস্কারও লাভ করেন।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
দায়িত্বপূর্ণ চাকরি সামলানোর পাশাপাশি সংগীতচর্চায় তাঁর এই নিষ্ঠা অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে। সাধারণ জীবনের মধ্যেও কীভাবে শিল্পকে লালন করা যায়, তার এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠেছেন আদ্রার এই প্রতিভাবান রেলকর্মী। পাশাপাশি, আগামী দিনে প্রাচীন এই বাদ্যযন্ত্রকে নতুন প্রজন্মের কাছে আরও বেশি করে তুলে ধরার লক্ষ্যে তিনি নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।





