অবশেষে বিষয়টি তাঁরা বাঘমুন্ডির বিধায়ক সুশান্ত মাহাতোকে জানান। বিধায়কের হস্তক্ষেপে সংশ্লিষ্ট দফতর দ্রুত পদক্ষেপ নেয় এবং ট্রান্সফরমারটি অন্যত্র স্থানান্তরিত করার কাজ শুরু করেন। এতে কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছেন ওই বাড়ির বাসিন্দা সহ আশেপাশের এলাকার মানুষজন। কিছুটা হলেও আতঙ্ক দূর হয়েছে তাঁদের।
আরও পড়ুন: বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন মহাভারত, সেই কাশীরাম দাসের বসতবাড়ির হাল দেখলে চোখে জল আসবে
advertisement
এ বিষয়ে রাব্বানী আনসারী ও খুরশিদ আনসারী বলেন, বাড়ির ভেতরে ট্রান্সফরমার থাকায় তাঁদের খুবই অসুবিধার মধ্যে পড়তে হত। যে জায়গায় ট্রান্সফরমারটি ছিল, সেটি রায়তে জমি ছিল। তাতেই সমস্যা সমাধান হচ্ছিল না। অবশেষে বিধায়ক তাদের সমস্যার সমাধান করলেন। এতে তাদের অনেকটাই উপকার মিলেছে। আতঙ্ক কেটেছে তাদের।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বাড়ির উঠোনে ট্রান্সফর্মার, তারওপর যে হারে বিভিন্ন সময় ঝড় বৃষ্টি হলে বাজ পড়ছে, সেই কারণে তাঁদের অনেকটাই ভয়ের মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছিল। এর ফলে বাঘমুন্ডি ব্লকের সিন্দরী মোড় এলাকার বাসিন্দারাও ভয়ে থাকতেন। বিশেষ করে বর্ষার দিনে তাদের আতঙ্ক আরও বেড়ে যেত। পরিবারের সদস্যরা ভয়ে ভয়ে দিন কাটাতেন। কারণ যে কোনও সময় ঘটতে পারত বড়সড়ো দুর্ঘটনা। অবশেষে বিধায়কের উদ্যোগে সেই আতঙ্ক থেকে মুক্তি পেলেন এলাকার মানুষ ও পরিবারের সদস্যরা। এতে তাঁরা সকলেই খুশি।





