পোকাগুলো পাতায় পাতায় গুটি বাঁধে, আর সেখান থেকেই উৎপন্ন হয় তসর। বর্তমানে এখন এই রেশম পোকা প্রতিপালন করে চলেছে পুরুলিয়া জেলার কাশীপুরের নারায়ণগড় তসর বীজ কেন্দ্র। যেখানে এলাকার বহু মানুষ গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রাণসঞ্চার করছেন। রেশম পোকা প্রতিপালন করে তাঁরা গড়ে তুলছেন একটি নতুন জীবিকা। যা শুধু তাদের সংসার নয়, প্রাণ ফিরিয়েছে গ্রামীণ অর্থনীতিতেও।
advertisement
আরও পড়ুনঃ ঝোপের মধ্যে প্লাস্টিক ব্যাগে ওটা কী! কাছে যেতেই উদ্ধার ৩টি তাজা বোমা, ভাতারে তীব্র চাঞ্চল্য
বর্তমানে এই কেন্দ্রে এলাকার যুবক থেকে শুরু করে প্রবীণ, সকলেই জীবিকা নির্বাহের সঙ্গে যুক্ত। সরকারিভাবে গড়ে ওঠা এই তসর বীজ কেন্দ্রে প্রায় ১৫ জন যুবক ও প্রবীণ গাছের পরিচর্যা এবং রেশম পোকা প্রতিপালনের দায়িত্বে রয়েছেন। এখান থেকেই তাঁরা নিয়মিত আয় করে নিজেদের জীবনযাপন করছেন। অনেক চাষিই এখন আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে তসর রেশম পোকা প্রতিপালন করছেন। সরকারি সহায়তা এবং বিভিন্ন গবেষণা সংস্থার সহযোগিতায় গ্রামের চাষিরা রেশম সুতো প্রক্রিয়াকরণের নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ করছেন, যা উৎপাদনের মান ও পরিমাণ, উভয়ই বাড়াতে সহায়ক হচ্ছে।
এই চাষের প্রক্রিয়ায় প্রথমে সুস্থ ও সবল তসর রেশম পোকার ডিম সংগ্রহ করা হয়। ডিম থেকে লার্ভা বা পোকা বের হওয়ার পর, উপযুক্ত পরিবেশে অত্যন্ত যত্নসহকারে তাদের প্রতিপালন করতে হয়। তসর রেশম পোকা প্রধানত শাল ও অর্জুন গাছের পাতা খায়। তাই এই পোকাগুলিকে শাল বা অর্জুন গাছেই প্রতিপালন করা হয়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
আজ নারায়ণগড়ের মাটিতে যেমন সফলভাবে তসর রেশম পোকা প্রতিপালন চলছে, তেমনই ধীরে ধীরে গড়ে উঠছে কারিগরি দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস এবং এক নতুন আশার দিগন্ত। তসর চাষ এখন শুধুমাত্র একটি কৃষিকাজ নয়, বরং গ্রামীণ উন্নয়নের এক শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে উঠছে।





