বর্তমানে কবির স্মৃতিবিজড়িত ওই বাড়িটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে সুবর্ণ মাহাতো নামে একজন নিযুক্ত রয়েছেন। তাঁর তত্ত্বাবধানেই সংরক্ষিত রয়েছে কবি মধুসূদন দত্তের সেই স্মৃতিচিহ্ন। স্থানীয় বাসিন্দারা আজও গর্বের সঙ্গে এই ইতিহাস আগলে রেখেছেন এবং বহু সাহিত্যপ্রেমী ও গবেষক দূরদূরান্ত থেকে এখানে এসে কবির স্মৃতিকে ছুঁয়ে দেখেন।
advertisement
বর্তমানে বাড়িটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা সুবর্ণ মাহাতো জানান, কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত এই ছোট্ট বাড়িটিতেই বসবাস করেছিলেন। এই বাড়ি থেকেই তিনি একদিকে যেমন মানুষকে আইনি পরামর্শ দিতেন, তেমনই আবার নিভৃতে কাটিয়েছেন তাঁর শেষ জীবনের বহু নির্জন মুহূর্ত। আজ সময়ের স্রোতে অনেক কিছু বদলে গেলেও, রাজবাড়ির এক কোণে দাঁড়িয়ে থাকা এই বাড়িটি এখনও ইতিহাসের নীরব সাক্ষী হয়ে অতীতের স্মৃতি বহন করে চলেছে।
কাশীপুর রাজবাড়ি শুধু রাজ ইতিহাসের নিদর্শন নয়, বাংলা সাহিত্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়েরও সাক্ষী। মাইকেল মধুসূদন দত্তের শেষ জীবনের এই অধ্যায় আজও পুরুলিয়ার কাশীপুরে ইতিহাস ও সাহিত্যের মিলনস্থল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।