advertisement

Batasa Recipe: চিনি জ্বাল দিয়ে রস গাঢ় হলেই কেল্লা ফতে! ট্রে-এর ছিদ্রগুলি ডুবো ডুবো ভরলেই জমবে! অমর্ষি বাজারের কয়েক শতকের রেসিপি আপনার জন্যই...সুস্বাদু বাতাসা বানান বাড়িতেই

Last Updated:
Batasa Recipe: শতাব্দী প্রাচীন অমর্ষির বাতাসা! বাড়িতেই বানান ঐতিহ্যেবাহী এই মিষ্টি। বাড়িতেই বানান সহজে। মুচমুচে স্বাদে ভরবে পার্বণের দিনগুলি।
1/6
বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় মিষ্টি খাবার হল বাতাসা। বাতাসার কথা বললেই মনে পড়ে যায় শৈশবের কথা। আবার ধর্মীয় অনুষ্ঠানের ভোগ হিসেবে তো এই বাতাসার চাহিদা শেষ নেই। বাজারে এক কেজি বাতাসা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। তবে চাইলে খুব সহজেই বাড়িতেই বানানো সম্ভব এই ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি। অল্প উপকরণ আর সামান্য সময় দিলেই তৈরি হয়ে যাবে সুস্বাদু বাতাসা, যা স্বাদে ও গন্ধে বাজারের বাতাসাকেও টক্কর দিতে পারে। (তথ্য ও ছবি : মদন মাইতি)
বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় মিষ্টি খাবার হল বাতাসা। বাতাসার কথা বললেই মনে পড়ে যায় শৈশবের কথা। আবার ধর্মীয় অনুষ্ঠানের ভোগ হিসেবে তো এই বাতাসার চাহিদা শেষ নেই। বাজারে এক কেজি বাতাসা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। তবে চাইলে খুব সহজেই বাড়িতেই বানানো সম্ভব এই ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি। অল্প উপকরণ আর সামান্য সময় দিলেই তৈরি হয়ে যাবে সুস্বাদু বাতাসা, যা স্বাদে ও গন্ধে বাজারের বাতাসাকেও টক্কর দিতে পারে। (তথ্য ও ছবি : মদন মাইতি)
advertisement
2/6
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুর ১ ব্লক-এর অমর্ষি বাজার শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বাতাসা তৈরির জন্য খ্যাত। এখানকার কারখানাগুলিতে প্রতিদিন কুইন্টাল কুইন্টাল বাতাসা তৈরি হয়। উৎসব, পুজো কিংবা সামাজিক অনুষ্ঠানে এই এলাকার বাতাসার বিশেষ চাহিদা রয়েছে। বহু পরিবার প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই মিষ্টি তৈরির সঙ্গে যুক্ত থেকে নিজেদের জীবিকা নির্বাহ করছেন।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুর ১ ব্লক-এর অমর্ষি বাজার শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বাতাসা তৈরির জন্য খ্যাত। এখানকার কারখানাগুলিতে প্রতিদিন কুইন্টাল কুইন্টাল বাতাসা তৈরি হয়। উৎসব, পুজো কিংবা সামাজিক অনুষ্ঠানে এই এলাকার বাতাসার বিশেষ চাহিদা রয়েছে। বহু পরিবার প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই মিষ্টি তৈরির সঙ্গে যুক্ত থেকে নিজেদের জীবিকা নির্বাহ করছেন।
advertisement
3/6
অমর্ষির বাতাসা শিল্পী পূর্ণেন্দু মাইতি দীর্ঘদিন ধরে এই ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছেন। তাঁর অভিজ্ঞতায় বাতাসা তৈরির সহজ পদ্ধতি এখন অনেকেই শিখছেন। তাঁর কথায়, সঠিক অনুপাতে চিনি ও জল ব্যবহার করাই ভাল বাতাসার মূল রহস্য। বাড়িতে বসেই যাতে সহজে এই মিষ্টি বানাতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যেই তিনি সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করেছেন।
অমর্ষির বাতাসা শিল্পী পূর্ণেন্দু মাইতি দীর্ঘদিন ধরে এই ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছেন। তাঁর অভিজ্ঞতায় বাতাসা তৈরির সহজ পদ্ধতি এখন অনেকেই শিখছেন। তাঁর কথায়, সঠিক অনুপাতে চিনি ও জল ব্যবহার করাই ভাল বাতাসার মূল রহস্য। বাড়িতে বসেই যাতে সহজে এই মিষ্টি বানাতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যেই তিনি সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করেছেন।
advertisement
4/6
বাতাসা তৈরি করতে প্রথমেই প্রয়োজন একটি বেকিং ট্রে এবং ছিদ্রযুক্ত পাত্র। এরপর একটি পাত্রে চিনি ও জল মিশিয়ে মাঝারি আঁচে ফোটাতে হবে। চিনি সম্পূর্ণ গলে গেলেও তাড়াহুড়ো করা যাবে না। ধীরে ধীরে মিশ্রণটি ফুটতে দিতে হবে। কিছু সময় পরে এটি ঘন হয়ে আসবে। তখন বুঝতে হবে বাতাসা তৈরির জন্য মিশ্রণটি প্রস্তুতির দিকে এগোচ্ছে।
বাতাসা তৈরি করতে প্রথমেই প্রয়োজন একটি বেকিং ট্রে এবং ছিদ্রযুক্ত পাত্র। এরপর একটি পাত্রে চিনি ও জল মিশিয়ে মাঝারি আঁচে ফোটাতে হবে। চিনি সম্পূর্ণ গলে গেলেও তাড়াহুড়ো করা যাবে না। ধীরে ধীরে মিশ্রণটি ফুটতে দিতে হবে। কিছু সময় পরে এটি ঘন হয়ে আসবে। তখন বুঝতে হবে বাতাসা তৈরির জন্য মিশ্রণটি প্রস্তুতির দিকে এগোচ্ছে।
advertisement
5/6
মিশ্রণ তৈরি হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করাও খুব জরুরি। দুই আঙুলের মাঝে সামান্য নিয়ে দেখতে হবে সেটি জালের মতো সুতো তৈরি করছে কিনা। যদি এমন হয়, তাহলে মিশ্রণটি সঠিক পর্যায়ে পৌঁছেছে। এরপর দ্রুত ছিদ্রযুক্ত পাত্রে নিয়ে ছোট ছোট ফোঁটার মতো করে বেকিং ট্রের উপর ফেলতে হবে। ঠান্ডা হলেই শক্ত হয়ে যাবে বাতাসা। পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ হতে সময় লাগে প্রায় ২০ মিনিট।
মিশ্রণ তৈরি হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করাও খুব জরুরি। দুই আঙুলের মাঝে সামান্য নিয়ে দেখতে হবে সেটি জালের মতো সুতো তৈরি করছে কিনা। যদি এমন হয়, তাহলে মিশ্রণটি সঠিক পর্যায়ে পৌঁছেছে। এরপর দ্রুত ছিদ্রযুক্ত পাত্রে নিয়ে ছোট ছোট ফোঁটার মতো করে বেকিং ট্রের উপর ফেলতে হবে। ঠান্ডা হলেই শক্ত হয়ে যাবে বাতাসা। পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ হতে সময় লাগে প্রায় ২০ মিনিট।
advertisement
6/6
চিনি ছাড়াও গুড় ব্যবহার করে তৈরি করা যায় সুস্বাদু বাতাসা। গুড়ের বাতাসার স্বাদ আলাদা এবং গ্রামবাংলায় এর জনপ্রিয়তাও অনেক। বাতাসা শিল্পীদের মতে, এই কাজ শেখা গেলে ঘরে বসেই ছোট ব্যবসা শুরু করা সম্ভব। কম পুঁজিতে উৎপাদন করে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করলে ভাল লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে ঐতিহ্য ধরে রাখার পাশাপাশি আত্মনির্ভর হওয়ার সুযোগ রয়েছে এই বাতাসা শিল্পে।
চিনি ছাড়াও গুড় ব্যবহার করে তৈরি করা যায় সুস্বাদু বাতাসা। গুড়ের বাতাসার স্বাদ আলাদা এবং গ্রামবাংলায় এর জনপ্রিয়তাও অনেক। বাতাসা শিল্পীদের মতে, এই কাজ শেখা গেলে ঘরে বসেই ছোট ব্যবসা শুরু করা সম্ভব। কম পুঁজিতে উৎপাদন করে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করলে ভাল লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে ঐতিহ্য ধরে রাখার পাশাপাশি আত্মনির্ভর হওয়ার সুযোগ রয়েছে এই বাতাসা শিল্পে।
advertisement
advertisement
advertisement