নন্দীগ্রাম দু নম্বর ব্লকের বিরুলিয়া অঞ্চলের ঘোলপুকুরে তৃণমূলের কর্মী সভা হবে আগামীকাল বুধবার দুপুরে। দলের নন্দীগ্রাম কেন্দ্রের প্রার্থী পবিত্র করের সমর্থনে প্রচারে আসবেন এবং কর্মী সভা করবেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামিকাল একইদিনে শুভেন্দু অধিকারীও সভা করবেন নন্দীগ্রামে।
advertisement
নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়কের সভা হবে রেয়াপাড়ায়। শুভেন্দুর সভা হবে বিকেলে। দু’দলের দুই তাবড় নেতার সভা হবে নন্দীগ্রাম দু নম্বর ব্লক এলাকাতেই। ভোট আবহে সভা, পাল্টা সভাকে ঘিরে নন্দীগ্রামে শুরু হয়েছে দুপক্ষের জোর তৎপরতা। দুজনেরই সভা নন্দীগ্রাম দু’নম্বর ব্লক এলাকাতেই। তাই পুলিশি তৎপরতাও জোরদার করা হয়েছে।
এদিকে, ভাঙলেন তবুও মচকালেন না সুজন চক্রবর্তী। বহরমপুরে প্রার্থী দিয়েও বিজেপি এবং তৃণমূলের বিরুদ্ধে সমস্ত শক্তিকে একত্রিত হওয়ার ডাক দিলেন সিপিআইএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। মঙ্গলবার বিকেলে এবিটিএ’র জেলা ডেপুটেশনের মঞ্চে উপস্থিত হন সুজন চক্রবর্তী। সভা শেষে সুজন বাবু বলেন, রাজ্যে বিজেপি ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে সবাইকে একজোট করতে চেয়েছে সিপিএম। প্রত্যেক দলের নিজস্ব সিদ্ধান্ত রয়েছে, কংগ্রেস একা লড়ছে, তবে মানুষ ঐক্যবদ্ধ ভাবে তৃণমূল ও বিজেপিকে হারাবে।
এদিকে অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে বহরমপুরে বাম শরিক সিপিআইএমএল প্রার্থী দিলেও ভোট দেওয়ার বিষয়ে স্পষ্ট করলেন না সুজন চক্রবর্তী। গত ২০১৬ সাল থেকে সমস্ত নির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট থাকলেও এবারে কংগ্রেস একাই লড়ছে। সেই সময় বহরমপুর বিধানসভায় শরিকের দুর্বল প্রার্থীকে কি বামেরা ভোট দেবেন? না অধীর চৌধুরীকে ভোট দেবেন বামেরা? না বিজেপির দিকে ঝুঁকবেন বহরমপুরের বাম শক্তি? ওই প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে সুজন চক্রবর্তী বলেন, এখনও সব প্রার্থী ঠিক হয় নি, কিন্তু সময়ে ঠিক হয়ে যাবে কীভাবে লড়াই হবে। তবে তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে যে জয়ী হতে পারে, সেই সমস্ত শক্তিকে এক করতে চাইছে সিপিআইএম।
