যে প্রমোটার ওই মহিলার উপরে হামলা চালিয়েছেন, তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশ অভিযোগ নিতেও গড়িমসি করেছে বলে দাবি মীনাক্ষীর।এদিন তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, “কে দোষী, কে নির্দোষ তা আমরা বলছি না, কিন্তু অভিযোগ নেওয়া তো পুলিশের দায়িত্ব।” তাঁর দাবি, এলাকায় একের পর এক মহিলাদের উপর অত্যাচারের ঘটনা ঘটছে। ধর্ষণ, মারধর, লাঞ্ছনার মতো গুরুতর অভিযোগ সামনে এলেও সঠিক তদন্ত হচ্ছে না।
advertisement
উত্তরপাড়ায় সাম্প্রতিক ঘটনাগুলি তুলে ধরে তিনি বলেন, অল্প সময়ের ব্যবধানে একাধিক নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে, যা উদ্বেগজনক। এমনকি এক মহিলার উপর হামলার পরও যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে থানার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি জানান, পুলিশ সাধারণ মানুষের পাশে না থেকে দায়িত্ব এড়িয়ে যাচ্ছে।শুধু আইন-শৃঙ্খলা নয়, স্বাস্থ্য পরিষেবার বেহাল অবস্থাও তুলে ধরেন বাম প্রার্থী। তাঁর অভিযোগ, এলাকার বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নোংরা পরিবেশ, অব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার ঘাটতি চোখে পড়ার মতো। হাসপাতালের ভিতরে অবাধে পশুর ঘোরাফেরা নিয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
পাশাপাশি, এক বৃদ্ধের উপর পুলিশি হেনস্থার ঘটনাও উল্লেখ করেন তিনি। অভিযোগ, ঘটনার প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।বাম প্রার্থীর বক্তব্য, থানায় গিয়ে স্পষ্ট জানানো হয়েছে অভিযোগ গ্রহণ করে নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। দোষীদের শাস্তি এবং নির্দোষদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব বলে তিনি দাবি করেন। এই ঘটনাকে ঘিরে উত্তরপাড়ায় নারী নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।





