স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রদর্শনী ও হয় এখানে। পরবর্তীতে এই সাহিত্য মন্দিরের পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন ইতিহাসবিদ দিলীপ গোস্বামী ও তার কমিটি। বিগত বেশ কিছুদিন আগে তিনি প্রয়াত হয়েছেন। বর্তমানে হরিপদ সাহিত্য মন্দির কমিটি সম্পূর্ণ রূপে পরিচালনা করছে এই জেলার সংগ্রহশালার। প্রতি শনি ও রবিবার এই সংগ্রহশালা খোলা থাকে। জেলার বিভিন্ন প্রান্তের মানুষদের পাশাপাশি পর্যটকেরাও আগ্রহের সঙ্গে আসেন এই সংগ্রহশালায়। তবে এই জেলা সংগ্রহশালা নিয়ে বেশ কিছু পরিকল্পনা নিচ্ছে হরিপদ সাহিত্য মন্দির।
advertisement
এ বিষয়ে হরিপদ সাহিত্য মন্দিরের সম্পাদক নিলয় মুখার্জি বলেন, এই সাহিত্য মন্দিরে জেলার বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সংগ্রহ করে রাখা হয়েছে। বহু মানুষ সেই সমস্ত নিদর্শন দেখতে আসেন। এখন সংগ্রহশালাটি মাত্র দু’দিন খোলা থাকছে। তবে তাদের পরিকল্পনা রয়েছে আগামী দু’বছরের মধ্যে অত্যাধুনিক মানের সংগ্রহশালা তৈরি করার। সেই সময় প্রত্যেক দিনই এই সংগ্রহশালা তারা খোলা রাখবেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
জেলার মানুষের আবেগের সঙ্গে মিশে রয়েছে এই সংগ্রহশালা। এই সংগ্রহশালা যদি নব রূপে সেজে ওঠে তাহলে জেলার পর্যটন মানচিত্রে আরও একটি নয়া সংযোজন হয়ে উঠবে।





