নন্দীগ্রামের পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারী এবার বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর আসন থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দু-দুটি গুরুত্বপূর্ণ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও শুভেন্দু অধিকারীর হাতে এই মুহূর্তে রয়েছে মাত্র ১২ হাজার টাকা নগদ রাশি। অত্যন্ত মনোনয়ন পত্রের সঙ্গে শুভেন্দুর জমা দেওয়ার হলফনামা সেই কথাই বলছে।
advertisement
নির্বাচন কমিশন সূত্রে পাওয়া হলফনামা থেকে জানা যায়, শুভেন্দুর হাতে নগদ টাকার পরিমাণ হল মাত্র ১২ হাজার। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে রয়েছে ৭ লক্ষ ২৪ হাজার ৫২১ টাকা। এছাড়াও একটি নির্বাচনী খরচের অ্যাকাউন্ট রয়েছে। ওই অ্যাকাউন্টে রয়েছে মাত্র ১০ হাজার টাকা।
এর পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারীর বিভিন্ন বন্ড ও জীবন বীমার পলিসি রয়েছে। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, বন্ড, জীবন বীমা মিলিয়ে শুভেন্দুর অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ২৪ লক্ষ ৫৭ হাজার ৬০০ টাকা। শুভেন্দুর কোনও সোনা দানা নেই। এছাড়া শুভেন্দুর কোনও ঋণ নেই। মোটরসাইকেল বা অন্য কোনও গাড়ি শুভেন্দু অধিকারীর নেই।
শুভেন্দু অধিকারী তাঁর হলফনামায় দাখিল করেছে, নন্দীগ্রাম ও এগরায় তাঁর কাছে চাষযোগ্য কৃষি জমি রয়েছে। সেই জমির পরিমাণ ২.৪৬ একর। এছাড়াও তাঁর কাছে কমার্শিয়াল জমিও রয়েছে। শুভেন্দুর দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে তমলুকে একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। অন্যটি কুমারপুরে রয়েছে। মিলিয়ে শুভেন্দু স্থাবর সম্পত্তির মূল্য ৬১ লক্ষ ৩০ হাজার। শুভেন্দু অধিকারী তাঁর হলফনামায় দাখিল করেছেন তিনি সাংসারিক দায়ভার মুক্ত। শুভেন্দু অধিকারীর হরফনামা থেকে জানা যায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি মিলিয়ে মোট সম্পত্তির মূল্য হল ৮৫ লক্ষ ৮৭ হাজার ৬০০ টাকা।
অন্যদিকে, নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর এখনও মনোনয়নপত্র জমা দেননি। মনোনয়নপত্র জমা দিলে জানা যাবে তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ। শুভেন্দু অধিকারী দু-দুটো বিধানসভা আসনের প্রার্থী হলেও তাঁর নির্বাচনী অ্যাকাউন্ট এবং হাতে নগদ রাশির পরিমাণ খুবই সামান্য বলেই বলছে তাঁর হলফনামায় দেওয়া তথ্য।






