২০ মার্চ শুভেন্দু অধিকারী মহিষাদলে দলীয় প্রার্থী সুভাষ পাঁজার সঙ্গে দেখা করতে আসেন। আর সেখানেই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন। প্রসঙ্গত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মহিষাদলে তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন বিশ্বনাথ ব্যানার্জি। কিন্তু ২০২৬ সালের বিজেপির প্রার্থী তালিকায় বিশ্বনাথ বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের স্থান হয়নি। আর এ নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়। শুক্রবার মহিষাদলে আসেন শুভেন্দু অধিকারী। দলীয় প্রার্থীর সঙ্গে দেখা করার পর তিনি মহিষাদল থানায় যান। মহিষাদল থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক থানায় না থাকায় ডিউটি অফিসারের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।শুভেন্দু অধিকারী মহিষাদলের দলীয় প্রার্থীর জয় নিশ্চিত বলে জানান।
advertisement
তিনি বলেন, “মহিষাদলের সাংস্কৃতিক কালচার নষ্ট হয়েছে তৃণমূলের কারণে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিষাদলের সাংস্কৃতিক কালচার ফিরে আসবে। দলীয় প্রার্থী সুভাষ পাঁজার সঙ্গে রয়েছে এখানকার নেতাকর্মীরা, এমনকি বিশ্বনাথ ব্যানার্জিও। মহিষাদল এর এই আসনটি এবার বিজেপিই জিতবে। পুলিশকে বলব নির্বাচনবিধি ও ভারতীয় ন্যায় সংহিতা মেনে চলতে।” দলীয় প্রার্থী পাশাপাশি এদিন বিশ্বনাথ বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের বাড়িও যান তিনি। বিশ্বনাথ বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের বাড়ি থেকে বেরিয়ে সোজা মহিষাদল থানায় হাজির হন শুভেন্দু অধিকারী। থানায় ঢুকে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন শুভেন্দু।
তাঁর অভিযোগ, বিজেপির প্রথম প্রার্থী তালিকা প্রকাশের দিন রাতে মহিষাদল থানার অফিসার ইনচার্জ পীযূষ কান্তি মণ্ডল বিশ্বনাথকে ফোন করে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দেন। তবে ওসি এদিন থানায় ছিলেন না। ডিউটি অফিসারকে কার্যত হুঁশিয়ারি দিতে শোনা যায় শুভেন্দু অধিকারীকে। তবে এ বিষয়ে মহিষাদল থানার অফিসার ইনচার্জ পীযূষ কান্তি মণ্ডল ফোনে জানিয়েছেন এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। থানায় দাঁড়িয়ে শুভেন্দু অধিকারী শুধুমাত্র মহিষাদল থানার ওসি নয় এর পাশাপাশি নন্দীগ্রাম থানার আইসি এবং তমলুকের এসডিপিও এর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন শুভেন্দু অধিকারী।





