বর্ণালী কাকদ্বীপ ব্লকের উত্তর চন্দ্রনগরের বাসিন্দা। পড়াশোনা করেছেন নিশ্চিন্দিপুর আরডি হাইস্কুলে এবং পরে প্রাইভেটে স্নাতক সম্পন্ন করেন। এক সময় তাঁর স্বামী মলয় কুমার ধাড়া সারের দোকান চালাতেন। সেই সূত্রে সার-কীটনাশক বিক্রির প্রশিক্ষণ নিতে গিয়ে বর্ণালী পরিচিত হন আরও বিপুল সম্ভাবনার সঙ্গে। মহিলাদের নিয়ে বর্ণালী শুরু করেন অশ্বত্থতলা মহিলা জনকল্যাণ নামের একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠী। এখন তার সেক্রেটারি পদে রয়েছেন তিনি।
advertisement
আরও পড়ুনঃ নবদ্বীপে নতুন মুখের উপরেই ভরসা রাখল পদ্ম শিবির, টিকিট পেলেন শ্রুতি শেখর গোস্বামী, চিনুন তাঁকে
আরও পড়ুনঃ এসি ঘরে রাখুন জলভরা বালতি! এতেই নাকি ঘটে ম্যাজিক…কারণ জানলে আপনিও রোজ করবেন গ্যারান্টি
২০০৮ সালে এই স্বনির্ভর গোষ্ঠী তৈরি করে মহিলাদের আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নেন। চাষবাস থেকে শুরু করে হস্তশিল্প-বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তিনি বহু মহিলাকে স্বনির্ভর করে তুলেছেন। তাঁর সব থেকে উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে হলো সূর্যমুখীর বীজ উৎপাদন। এই কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৮ সালে পান মহিলা কিষাণ পুরস্কার এবং ২০২৫ সালে রাষ্ট্রপতির হাত থেকে কৃষক সম্মান লাভ করেন। বর্তমানে শুধু সূর্যমুখীর বীজই নয়, জমিতে দাঁড়িয়ে শাকসব্জি-সহ একাধিক চাষের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। এবার তিনি নামছেন নতুন দায়িত্ব নিয়ে।






