শনিবার বিজেপি নেতা বলেন, ‘‘আমি এক লাইনে বলতে পারি, একজন বামপন্থী কর্মী আজকে একজন ক্যাজুয়্যাল, অস্থায়ী কর্মচারী হিসেবে কোম্পানিতে যোগ দিল৷’’
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা৷ যদিও বিজেপি বিধায়কের এই দলবদলকে গুরুত্ব দিতেই নারাজ বিরোধী দলনেতা৷ শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘উনি ২০২৪ সালে রাজু বিস্তার বিরুদ্ধে নির্দল প্রার্থী হয়ে ৫ হাজার ভোটও পায়নি৷ ওঁকে এবার কার্শিয়াংয়ে টিকিট দেওয়া হবে না৷ উত্তরবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস খাতা খুলতে পারবে না৷ ৫৪ টার মধ্যে অন্তত ৪৫টা আসনে বিজেপি জিতবে৷ বাকি যে ৫-৭টা আসন পড়ে থাকবে সেগুলিতেও অন্য দল জিতবে৷ তৃণমূল শূন্য পাবে৷ মালদহ থেকে কোচবিহার পর্যন্ত তৃণমূল খাতা খুলতে পারবে না৷’
advertisement
অন্যদিকে শনিবার, তৃণমূলে যোগদানের পরই প্রতীক উর রহমানকে দলবিরোধী কাজের অভিযোগে বহিষ্কার করেছে সিপিএম৷ দলের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমই প্রতীক উরকে বহিষ্কারের কথা জানিয়েছেন৷ গতকাল অবশ্য প্রতীক উরের দল ছাড়া সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে আবেগে গলা ধরে এসেছিল সিপিএম রাজ্য সম্পাদকের৷ প্রতীক উরের দলত্যাগকে সন্তান হারানোর যন্ত্রণার সঙ্গেও তুলনা করেছিলেন মহম্মদ সেলিম৷
আরও পড়ুন: ‘যতদিন আমি আছি, সুযোগ করে দেব’, প্রতীক উরের মতো অন্য দলের তরুণ নেতাদের বার্তা অভিষেকের!
যদিও তাঁর জন্য সেলিমের আবেগপ্রবণ হয়ে পড়াকে গতকালই ‘কুম্ভীরাশ্রু’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন প্রতীক উর৷ এ দিন তৃণমূলে যোগদানের পরেও সিপিএমের রাজ্য সম্পাদককে তীব্র আক্রমণ শানান প্রতীক উর৷ গতকাল মহম্মদ সেলিম বলেছিলেন, প্রতীক উরের দল ছাড়া তাঁর কাছে সন্তান হারানোর যন্ত্রণার সমান৷ এ দিন সেলিমের সেই মন্তব্যেরও জবাব দিয়ে প্রতীক উর বলেন, পিতা যদি নিজেই গলা টিপে সন্তানকে মারেন? তাহলে আর কী করা যাবে? আমার তথাকথিত বাবাকে বলব, যখন কথা বলতে গিয়েছিলাম বাবা তো দরজা খোলেননি৷
