মৃত শিশুকন্যার মা শিবানী সোরেন বলেন,আমার মেয়ে মেঝেতে ঘুমোচ্ছিল। স্বামী শানু সোরেন পাশেই শুয়ে ছিল। আমি বই পড়ছিলাম। আচমকা ছাদের চাঙর ভেঙে মেয়ের উপরে পড়ল।
গুরুতর জখম অবস্থায় ওই শিশুকন্যাকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। শিশুটির মায়ের আরও অভিযোগ, স্বাস্থ্য দপ্তরের গাফিলতিতে আমার এত বড় ক্ষতি হল। আবাসনের ঘরগুলি বিপজ্জনক অবস্থায় আছে। মেরামত করে দিলে এই ঘটনা হত না। কেতুগ্রাম ব্লক হাসপাতালের আবাসনের হাল যে খারাপ সে কথা আমি বার বার কেতুগ্রাম ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বি এম ও এইচ সাহেবকে জানিয়েছি। স্বাস্থ্যকর্মী হয়ে আমরা সুবিধা না পেলে কী করে অন্যকে পরিষেবা দেবো?
advertisement
মৃত শিশুকন্যার বাবা শানু বেসরা কেতুগ্রাম ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ফার্মাসিস্ট। শিবানী সোরেন কাটোয়া পুরসভার স্বাস্থ্যকেন্দ্রের অস্থায়ী স্বাস্থ্যকর্মী।
এই ঘটনায় কাটোয়ার সহকারী মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক শৌভিক আলম বলেন, খুবই দু:খজনক ঘটনা। ঘটনার তদন্ত করা হবে। বিএমওএইচ-এর কাছে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। আবাসনের হাল ফেরাতে ঊর্ধ্বতন কর্ত্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে সেইদিকে নজর দেওয়া হবে
