মোদি বিজেপি সমর্থকদের প্রশ্ন করেন, “মহিলারাও ভোট দেবেন? যুবরার ভোট দেবেন তো?” উত্তরে বিজেপির দলীয় সমর্থকরা তাঁর কথায় সমর্থন জানালে মোদি বলেন, “তাহলে জয় নিশ্চিত।”
advertisement
প্রসঙ্গত রবিবার কোচবিহারের জনসভা থেকে বিরাট ভবিষ্যদ্বাণী করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিনের সভা থেকে মোদি তাঁর বার্তায় বলেন, “বাংলায় এবার নিরপেক্ষ ভোট হবে। । এই সূত্রেই তিনি নির্বাচন কমিশনের উপর ‘পূর্ণ আস্থা’ রাখার কথা জানান। বলেন, “নির্বাচন কমিশনের উপর পূর্ণ আস্থা রয়েছে। এ বার বাংলায় নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে। এ বার নির্ভয়ে ভোট হবে। আর এ বার পরিবর্তনের জন্যও ভোট হবে।”
এর আগে রাজ্যে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগেই গত ১৪ মার্চ ব্রিগেডে সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই অর্থে তাই রাজ্যের ভোট ঘোষণার পর রবিবার কোচবিহারেই প্রথম সভা করলেন মোদি। রাসমেলা ময়দানের মঞ্চ থেকে ব্রিগেডের সভার প্রসঙ্গও উত্থাপন করেন তিনি। বলেন, “ব্রিগেডের সভা দেখে তৃণমূলের সিন্ডিকেট ঘাবড়ে গিয়েছে। এর পর ওরা বাংলা থেকে ভয়ে পালাবে।” প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “ভোটের পর তৃণমূলের সব পাপের হিসাব হবে, বেছে বেছে হিসাব করা হবে।”
তৃণমূল কেন এসআইআর-এর বিরোধিতা করছে সেই প্রশ্নেরও উত্তর বাতলে দেন প্রধানমন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকায় জনবিন্যাস বদলে যাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাঙ্ক বানিয়েছে তৃণমূল। আর এই অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচাতেই তৃণমূল এসআইআর-এর বিরোধিতা করছে। এর ফলে বাংলার মানুষের নিরাপত্তা বিপদের মুখে।” বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর অনুপ্রবেশকারীদের রোখা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন মোদি।
