উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের কমলাবাড়ি ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ছত্রপুরের স্বনির্ভর গোষ্ঠীর নারীরা সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের কাজের মাধ্যমে রোজগারের দিশা খুঁজে পেয়েছেন। ২০১৭ সালে তাঁরা এই কাজ শুরু করেন। এখন রাজ্যের সাহায্য এবং জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় এই কাজ চলছে।
আরও পড়ুনঃ নাকে আটকে বেলুনের টুকরো! দুধের শিশুকে ফেরাল মেডিক্যাল কলেজ, কোচবিহার থেকে আলিপুরদুয়ারে গিয়ে রক্ষা
advertisement
জানা যাচ্ছে, কমলাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন বাড়ি বাড়ি ঘুরে ফলমূল, শাকসবজির ফেলে দেওয়া অংশ এবং অন্যান্য নানা পচনশীল আবর্জনা সংগ্রহ করা হয়। এরপর সেগুলির সঙ্গে গোবর মিশিয়ে ও তাতে কেঁচো ছেড়ে বানানো হয় একটি বেড। সেখান থেকে জৈব সার হতে প্রায় মাস তিনেক সময় লাগে।
এই প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত সুপারভাইজার মাফুজা খাতুন জানান, একাধিক স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মোট ১৩ জন মহিলা মিলে এই কাজ করছেন। একসময় দুর্গন্ধময় পরিবেশের জন্য অনেকে এই কাজ করতে চাননি, তবে লক্ষ্মীলাভ হতেই ফের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে।
মাফুজা জানান, সুপারভাইজার হিসেবে তিনি সরকারের থেকে রোজ ৩০০ টাকা এবং বাকিরা ২১০ টাকা করে পান। সেই সঙ্গেই জঞ্জাল সংগ্রহের জন্য বাড়ি পিছু মাসে মাসে ৪০ টাকা করে সংগৃহীত হয়। প্রকল্পের নামে তৈরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই অর্থ জমা হয়। এর পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি দফতরে জৈব সার সরবরাহ করেন তাঁরা। দর, কুইন্টাল প্রতি ১৬০০ টাকা।
সব মিলিয়ে, রায়গঞ্জে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে যেন এক ঢিলে দুই পাখি মাত হচ্ছে। একদিকে যেমন নির্মল বাংলা মিশন কর্মসূচি সাফল্যের মুখ দেখছে, তেমনই স্বনির্ভর হচ্ছেন বহু নারী। বিষয়টিকে সরকারের সাফল্য বলে মনে করছেন উত্তর দিনাজপুরের জেলা পরিষদের সভাধিপতি পম্পা পাল।
