‘বেশি বাড়াবাড়ি করলে দিল্লির সরকার ফেলে দেব’, ধরনামঞ্চ থেকে বিজেপিকে কড়া হুঁশিয়ারি মমতার!
প্রথা অনুযায়ী, মতুয়া ধর্মগুরু হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মতিথি উপলক্ষে পুণ্যস্নানের মধ্য দিয়েই এই মেলার সূচনা হয়। মধু কৃষ্ণ ত্রয়োদশী তিথিতে ভক্তরা ‘কামনা সাগর’-এ ডুব দিয়ে পুণ্যস্নান করেন। এবছরও সেই তিথি উপলক্ষে ১৭ তারিখে পুণ্যস্নানের বিশেষ যোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঠাকুরবাড়ির অন্যতম সদস্য মমতাবালা ঠাকুর। মেলা কমিটি সূত্রে জানা যায়, ১৮৯৭ সালের দিকে বাংলাদেশের ওড়াকান্দিতে এই মেলার সূচনা হয়েছিল। দেশভাগের পর ১৯৪৮ সালে ঠাকুরনগরে এই মেলার আয়োজন শুরু করেন প্রমথরঞ্জন ঠাকুর।
advertisement
করোনা পরিস্থিতির কারণে এক বছর মেলা বন্ধ থাকলেও এরপর থেকে প্রতি বছরই নিয়ম মেনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই মহামেলা। বারুণী স্নানকে কেন্দ্র করেই মূলত এই মতুয়া ধর্ম মহামেলা অনুষ্ঠিত হয়। লক্ষাধিক ভক্তের সমাগমের কথা মাথায় রেখে প্রশাসনের তরফেও নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মেলা প্রাঙ্গণে ত্রিপল টাঙানো, অস্থায়ী শৌচালয় নির্মাণ, পানীয় জল এবং ভক্তদের খাবারের ব্যবস্থা সবকিছুতেই চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। ইতিমধ্যেই মেলার মাঠে বসতে শুরু করেছে বিভিন্ন দোকানপাট। দূরদূরান্ত থেকে বহু মানুষ ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে এসে ঘুরে দেখছেন প্রস্তুতি। আর কয়েকদিন পরেই শুরু হবে মতুয়া সম্প্রদায়ের এই ঐতিহ্যবাহী মহামেলা, যার অপেক্ষাতেই এখন রয়েছেন অসংখ্য মতুয়া ভক্তরা।