স্থানীয় লোকজনদের থেকে জানা যায়, ওই মহিলা কোনও কারনে জলাশয়ের কাছে এসেছিলেন এরপর হয়ত অসাবধানতাবশত জলের মধ্যে পড়ে যান। তবে এর কিছুক্ষণ পরেই স্থানীয় এক ব্যক্তি ওই মহিলাকে জলাশয়ে ভাসতে দেখেন। এরপরই খবর দেওয়া হয় পুলিশ প্রশাসনকে। এরপর পুলিশ এসে জল থেকে মহিলার দেহ উদ্ধার করে করিমপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করে।
advertisement
পরিবার সূত্রে খবর, ওইদিন তিনি করিমপুরে ডাক্তার দেখাতে যাচ্ছিলেন তিনি। পথে করিমপুরে বাজিতপুরে ভৈরব নদী সংলগ্ন ব্রিজের কাছে শৌচকর্ম করার জন্য তিনি টোটো চালককে ফিরে যেতে বলেন। এরপরই তিনি বাজিতপুর ব্রিজের নিচে যান শৌচ কর্ম করার জন্য এবং সেখানেই জলশৌচ করার সময় অসাবধানতাবশত জলে পড়ে যান তিনি তেমনটাই অনুমান। এছাড়াও জানা যায় ওই মহিলার একটি পায়ে সমস্যা ছিল স্বাভাবিকভাবে হাটতে তিনি পারতেন না আর সেই কারণেই অসাবধানতাবশত পড়ে যাওয়ার সন্দেহই জোরালো হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবারের অনুমান, শৌচকর্মের সময় অসাবধানতাবশত নদীতে পড়ে গিয়ে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে পুলিশ মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে নিয়ে আসে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় সাময়িকভাবে উত্তেজনা ছড়ায় ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে করিমপুর থানার পুলিশ।






