আরও একজন জাওয়ান পিছনে দাঁড়িয়ে খেলা দেখছিলেন এবং অপর একজন চেয়ারে বসে খেলা দেখছিলেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তরজা শুরু হয়। বীরভূমের সিউড়ির বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এটা অত্যন্ত নিন্দনীয় ঘটনা। যাঁদেরকে ভোট সুষ্ঠুভাবে করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তারাই যদি এমন কাজ করে তাহলে কীভাবে চলবে।” সিউড়ির তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ে ক্যারাম খেলার ঘটনার পরে এইদিন ইলেকশন কমিশন অফ ইন্ডিয়া (ECI) সেই তিনজন কেন্দ্রীয় বাহিনী জওয়ানকে বরখাস্ত করেন। এই বিষয়ে ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে জানানো হয় ‘নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে আমরা পূর্ণ সমর্থন জানায়।’
advertisement
বীরভূম জেলার বিধানসভা নির্বাচনের বৈতরণী পার করতে আবারও অনুব্রত মণ্ডলের উপরই ভরসা রাখছে তৃণমূল রাজ্য নেতৃত্ব? ২০২১ সালের নির্বাচনের মতোই কি এবারও জেলার নির্বাচনী রণকৌশলের কেন্দ্রে দেখা যাবে তাঁকে? এই প্রশ্নগুলিকেই সামনে রেখে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে বীরভূমের রাজনৈতিক অঙ্গনে। চন্দ্রনাথ সিনহা বলেন, বিজেপি বারবার দিল্লি থেকে বাংলাকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে এবং রাজ্যের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করতে চাইছে। সেই প্রেক্ষাপটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে ঐক্যের বার্তা আরও জোরদার করার প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর কথায়, বাংলায় সব ধর্ম, ভাষা ও সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে শান্তিতে বসবাস করে, আর সেই ঐক্য নষ্ট করার চেষ্টা চলছে বলেই বিরোধীদের বিরুদ্ধে সরব হন তিনি।






