তবে শাসক শিবিরের দাবি, হেরিটেজ ঘোষণার অর্থ শুধুমাত্র স্থাপত্য সংরক্ষণ নয়। বরং রাস্তা, পানীয় জল, শৌচালয় ও যোগাযোগ ব্যবস্থার মতো সার্বিক উন্নয়ন। যা ধাপে ধাপে বিভিন্ন দফতর, পুরসভা ও বিধায়ক তহবিলের মাধ্যমে করা হচ্ছে।
advertisement
এই প্রেক্ষাপটে সরকারি তত্ত্বাবধানে অস্থায়ী সিভিল ডিফেন্স কর্মীদের পর্যটন প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে একটি বিশেষ শোভাযাত্রা ও র্যালির আয়োজন করা হয়। সকাল ১০টা নাগাদ ফুলিয়ার নবলা অঞ্চল থেকে এই শোভাযাত্রা শুরু হয়। প্রথমে তারা যান পাঁচু গোপাল মন্দির, ভাঙা কালী মন্দির এবং বেলঘড়িয়ায় অবস্থিত দুর্গাপ্রসাদ জমিদার বাড়িতে। যেখানে এলাকার প্রথম দুর্গাপুজো অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলে জানা যায়। এরপর শোভাযাত্রা যায় ফুলিয়া বয়রাঘাট ও কামাখ্যা মন্দিরে।
ফুলিয়া পর্ব শেষ করে শোভাযাত্রা শান্তিপুরে প্রবেশ করে। সেখানে মতিগঞ্জ জলেশ্বর মন্দির, ঐতিহাসিক তোপখানা মসজিদ, শ্যামচাঁদ মন্দির, আগমেশ্বরী মন্দির এবং বড় গোস্বামী বাড়ি পরিদর্শন করেন অংশগ্রহণকারীরা। এরপর তারা পৌঁছান রাজ্যের দ্বিতীয় প্রাচীন শান্তিপুর পৌরসভায়। সেখানে পৌরসভার পক্ষ থেকে অংশগ্রহণকারীদের শান্তিপুর পৌরসভার ইতিহাস সংক্রান্ত একটি পুস্তিকা উপহার দেওয়া হয়। সবশেষে অদ্বৈত পাঠে এসে শোভাযাত্রার সমাপ্তি ঘটে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
উদ্যোক্তাদের মতে, নদিয়া জেলায় প্রায় ১৫০ জন অস্থায়ী সিভিল ডিফেন্স কর্মী পর্যটন সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এদিনের শোভাযাত্রায় প্রায় ১০ জন কর্মী অংশ নেন। তাদের সঙ্গে ছিলেন বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, স্কুল-কলেজের পড়ুয়া, পরিবেশকর্মী ও পর্যটনপ্রেমী মানুষজন।
অংশগ্রহণকারীদের আশা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষিত পর্যটন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়িত হবে এবং এতে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে। বর্তমানে সরকারি পোর্টালে নাম নথিভুক্ত থাকার কারণে আগ্রহী পর্যটকদের নদিয়া ভ্রমণে গাইড হিসেবে সহায়তা করার জন্য এই প্রশিক্ষিত কর্মীরাই যোগাযোগের মূল মাধ্যম হতে পারেন।





