প্রায় দেড় মাস ধরে নিয়মিত নৃত্যচর্চার মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানটির প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। প্রতিদিন স্কুলে এসে শিশুরা মনোযোগ সহকারে অনুশীলন করেছে। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় বিশেষ আকর্ষণ ছিল নৃত্যনাট্য। বাংলার প্রাচীন বাদ্যযন্ত্র খোল ও করতাল ব্যবহার করে পরিবেশিত এই নৃত্যনাট্যে শান্তিপুরের ঐতিহ্য ও ইতিহাস তুলে ধরা হয়।
advertisement
শিক্ষিকাদের মতে, বর্তমানে বহু পুরনো হেরিটেজ স্থাপত্য ও ঐতিহাসিক বাড়ি হারিয়ে যাচ্ছে। সেই প্রেক্ষাপটেই নৃত্যের মাধ্যমে শহরের স্মৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের বার্তা দেওয়া হয়েছে। নৃত্যনাট্যে শান্তিপুরের পুরনো বাড়ি, সংস্কৃতি ও মানুষের জীবনের গল্প তুলে ধরা হয়, যা দর্শকদের বিশেষভাবে মুগ্ধ করে। এই পরিবেশনার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধের বার্তা দেয়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কন্যাশ্রী ইউনিভার্সিটি-এর উপাচার্য ড. তপতী চক্রবর্তী। শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক চর্চা ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের উদ্যোগের প্রশংসা করেন তিনি। সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন হওয়া এই অনুষ্ঠান বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি করেছে।





