অনুষ্ঠানে উপস্থিত অধ্যাপকরা জানান, এক সময় এই কলেজে কোনও স্থায়ী ফিক্সড ডিপোজিট ছিল না। অথচ প্রতি মাসে প্রায় সাড়ে পাঁচ লক্ষ টাকা খরচ হত। সেই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য গভর্নিং বডিতে ফিক্সড ডিপোজিট গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়, পরবর্তীতে তা কার্যকর হয়। এর ফলে বর্তমানে কলেজের আর্থিক ভিত্তি অনেকটাই মজবুত হয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুনঃ বসন্তের শুরুতেও বিদায় নিচ্ছে না ঠান্ডা! পাহাড়ে জমাটি শীতের আমেজ, উত্তরের কোথায় কেমন আবহাওয়া জানুন
এছাড়াও কলেজের একাধিক ক্যাজুয়াল নন-টিচিং কর্মী অবসরকালীন সময়ে পেনশনের সুবিধা না পাওয়ায় আর্থিক অনিশ্চয়তায় ভুগতেন। তাঁদের কথা মাথায় রেখে এবার অবসরকালীন সময়ে সম্মানিক প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা কর্মীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়েছে।
কলেজের প্রিন্সিপাল ডক্টর সঞ্জীব কুমার পাখিরা জানান, নতুন ভবন নির্মাণ ও অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজ মিলিয়ে আনুমানিক খরচ প্রায় ১৫-২০ লক্ষ টাকা। নতুন ক্লাসরুমগুলিতে মূলত সদ্য চালু হওয়া কোর্সগুলির ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শান্তিপুরের বিধায়ক ব্রজেশ্বর গোস্বামী, শান্তিপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষ সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। তাঁদের বক্তব্যে কলেজের সার্বিক উন্নয়নে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে আশা ব্যক্ত করা হয়।





