স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে রমজান মাস চলায় পরিবারের সদস্যরা রোজা পালন করছিলেন। সেই সময় তারা স্থানীয় মসজিদে গেলে বাড়িতে একাই ছিল ওই শিশু। বাড়ির আশপাশে খেলতে খেলতে সে পাশের মাঠ সংলগ্ন জঙ্গলের দিকে চলে যায় বলে সূত্র মারফত জানা গেছে।
কিছুক্ষণ পর পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে ফিরে শিশুটিকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে বাড়ির পাশের একটি বাগানের মধ্যে রক্তাক্ত ক্ষত বিক্ষত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখতে পায় শিশুটিকে। স্থানীয়দের প্রাথমিক অনুমান, কোনও হিংস্র কুকুর বা শিয়ালের আক্রমণে গুরুতর আহত হয়েছিল শিশুটি। তড়িঘড়ি তাকে উদ্ধার করে কৃষ্ণগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
advertisement
আরও পড়ুন: ‘ভোটের সময় জেল থেকে আসামিরা পালিয়ে যায়?’ মুখ্যসচিবকে ‘খোঁজখবর’ নিতে বললেন জ্ঞানেশ কুমার
ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। কৃষ্ণগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে পৌঁছায় কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশ। এরপর শিশুটিকে কৃষ্ণগঞ্জ থানার মর্গে নিয়ে আসে । বর্তমানে দেহটি কৃষ্ণগঞ্জ থানার মর্গে রয়েছে । পুলিশ সূত্রে জানা গেছে আগামীকাল শিশুর মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কৃষ্ণনগর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হবে।
এদিকে, ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে রোগী মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা, চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ পরিবারের। ঘটনাস্থলে ইসলামপুর থানার আইসি সন্দীপ চক্রবর্তী সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী। মৃত ওই রোগীর নাম দীপক গুপ্তা (৩২)। বাড়ি ইসলামপুর শহরের মেলামাঠ এলাকায়।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে এদিন সন্ধ্যায় বুকের ব্যাথা নিয়ে দীপক গুপ্তা নামে ওই রোগীকে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করে পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের অভিযোগ ইঞ্জেকশন দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে ওই রোগীর মৃত্যু হয়। পরিবারের অভিযোগ ভুল চিকিৎসায় ওই রোগীর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই পরিবারের সদস্যরা চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। এই ঘটনায় হাসপাতালে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ইসলামপুর থানার আইসি সহ বিশাল পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সদের শাস্তির দাবি তুলেন পরিবারের সদস্যরা।






