জানা গিয়েছে, এই স্টোরে মূলত শাড়ি, চুড়িদার সহ মহিলাদের নানা ধরনের পোশাক পাওয়া যাবে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, শান্তিপুরের হ্যান্ডলুম শাড়ি বিশ্বজুড়ে সুপরিচিত হওয়ায় এখানে বিক্রি হওয়া অধিকাংশ শাড়িই ওই ৩০ জন মহিলার নিজেদের হাতে বোনা। ফলে এই দোকান শুধু ব্যবসার জায়গা নয়, বরং স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী হ্যান্ডলুম শিল্পেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠতে চলেছে বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা।
advertisement
স্টোর পরিচালনার ক্ষেত্রেও রাখা হয়েছে অভিনব পদ্ধতি। ৩০ জন মহিলা একসঙ্গে দোকানে থাকবেন না। প্রতিদিন দু’জন করে মহিলা দোকান পরিচালনা করবেন এবং পরের দিন অন্য দু’জন সেই দায়িত্ব নেবেন। এভাবেই পর্যায়ক্রমে সকলেই দোকানের কাজে যুক্ত থাকবেন। দোকানটি প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ২ টো পর্যন্ত এবং বিকেল ৫ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।
শুধু দোকানেই সীমাবদ্ধ নয় এই উদ্যোগ। বিভিন্ন হাট ও মেলাতেও নিজেদের তৈরি কাপড় নিয়ে অংশ নিচ্ছেন এই মহিলারা। এর আগে তাঁরা নিজেরা হাতে কাপড় বুনে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে বিক্রি করতেন। কিন্তু সেই পদ্ধতিতে স্থায়ী ব্যবসা গড়ে তোলা কঠিন হয়ে পড়ছিল। সেই সমস্যার সমাধান করতেই এবার একত্রিত হয়ে স্থায়ী দোকান খোলার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা।
সংগঠনের অন্যতম সদস্য পৌলমী দাস জানান, “পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় তাঁদের সংগঠন এই ধরনের উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে চলেছে। যেসব মহিলার ব্যবসা করার ইচ্ছা রয়েছে কিন্তু নানা কারণে শুরু করতে পারেন না, তাঁদের পাশে দাঁড়ানোই এই সংগঠনের মূল লক্ষ্য।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই উদ্যোগের ফলে একদিকে যেমন মহিলাদের স্বনির্ভরতার পথ প্রশস্ত হবে, অন্যদিকে শান্তিপুরের ঐতিহ্যবাহী হ্যান্ডলুম শিল্পও নতুন করে পরিচিতি পাবে বলে আশাবাদী স্থানীয় বাসিন্দারা।





