সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র গ্যাসের দামই নয়, বাজারে চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রীর দাম বেড়ে যাওয়ায় খরচ অনেকটাই বেড়েছে। তার ওপর যুদ্ধের কারণে গ্যাস সিলিন্ডার সহজে পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে রান্নার ক্ষেত্রেও অনেক সময় কাটছাঁট করতে হতে পারে তাদের। শান্তিপুর নবজাগরণ মূলত নিজেদের উদ্যোগের পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন মানুষের সহযোগিতায় এই পরিষেবা চালিয়ে আসছে।
advertisement
তবুও সংগঠনের অন্যতম সদস্য রণাপ্রসাদ ভট্টাচার্যের দাবি, যতই সমস্যা থাকুক না কেন, ভবঘুরে ও অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর এই মানবিক উদ্যোগ তাঁরা বন্ধ করবেন না। হাজার প্রতিকূলতার মধ্যেও এই মানুষদের দুবেলা খাবার দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাবেন বলে তারা জানিয়েছেন। এখন দেখার বিষয়, গ্যাসের দাম বৃদ্ধি ও আকাল, এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের স্বার্থে কেন্দ্র বা রাজ্য সরকার ভবিষ্যতে কী ধরনের পদক্ষেপ করে এবং এই ধরনের সমাজসেবামূলক উদ্যোগকে কীভাবে সহায়তা করে।





