স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সবজি বিক্রি, ভ্যান চালানো কিংবা রোদে বৃষ্টিতে খেটে তিলে তিলে জমানো টাকা বহু মানুষ সঞ্চয় করেছিলেন পাঁচবাড়িয়া সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতিতে। স্বামীর চিকিৎসা, নিজের অসুখ, কিংবা বার্ধক্যের ভরসা সবকিছুর জন্যই ওই সঞ্চয় ছিল তাদের জীবনের শেষ সম্বল। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, সেই টাকার বড় অংশ আত্মসাৎ হয়েছে। এর ফলে আজ নিঃস্ব অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন আমানতকারীরা।
advertisement
প্রতিদিনই অসহায় মানুষজন সমিতির সামনে এসে ভিড় করছেন। কেউ সকাল থেকে না খেয়েই বসে আছেন, কারও চোখে অনাহারের ক্লান্তি, কারও চোখে জল। তাদের একটাই প্রশ্ন “আমাদের টাকাটা কবে পাব?” জানা যাচ্ছে, গত দুই বছর ধরে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও তারা শুধু আশ্বাসই পেয়েছেন, বাস্তবে টাকা ফেরেনি।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমের তরফে সমিতির ম্যানেজার দুলাল দত্তর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, তিনি ক্যামেরার সামনে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তার এই নীরবতাই যেন আমানতকারীদের ক্ষোভ ও সন্দেহ আরও বাড়িয়ে তুলেছে। অসুখে জর্জরিত শরীর, ক্ষুধায় কাঁপা পেট আর বুকভরা অনিশ্চয়তা নিয়ে আজও অপেক্ষায় রয়েছেন এই মানুষগুলো। এখন দেখার, প্রশাসন কবে কার্যকর পদক্ষেপ নেয় এবং কবে কষ্টার্জিত টাকা ফিরে পায় সাধারণ মানুষ।






