দুর্ঘটনায় টোটো চালকসহ মোট ৮ জন গুরুতর আহত হন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন ঘটকপুকুর হাই স্কুলের শিক্ষক বিশ্বজিৎ মণ্ডল, যার দুটি হাত ভেঙে গিয়েছে। এছাড়াও গুরুতর আহত হয়েছেন অনিমা কর্মকার, যিনি গর্ভবতী বলে জানা গিয়েছে। এক শিশুসহ আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। গুরুতর জখম অবস্থায় বিশ্বজিৎ মণ্ডলকে এসএসকেএম হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। টোটো চালককে চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কলকাতার দিক থেকে মালবাহী লরিটি মালঞ্চের দিকে যাচ্ছিল। সেই সময় ঘটকপুকুর থেকে কলকাতামুখী যাত্রীবোঝাই টোটোটি ওভারটেক করতে গিয়ে বিডিও অফিসের সামনে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে লরির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ভাঙড় থানার পুলিশ ও ভাঙড় ট্রাফিক গার্ড। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।
advertisement
শুক্রবার সকালে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার বেলাই ব্রিজ এলাকার খুলনা-মোংলা মহাসড়কে দেখা যায় এমন দৃশ্য। গন্তব্য থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে বর-কনেবাহী মাইক্রোবাসটিতে ঘটে ভয়াবহ এই দুর্ঘটনা। বিয়ের আনন্দযাত্রা মুহূর্তেই রূপ নেয় শোকে। বৃহস্পতিবার বিকেলে নৌবাহিনীর একটি স্টাফ বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৪টিই শিশু। তাদের মধ্যে দুই শিশুর বয়স দুই বছরের কম। নিহত হয়েছেন তাদের মায়েরাও। গাড়িতে শিশুদের শান্ত রাখতে মায়েরা হয়ত চুষনি মুখে তুলে দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই মা-সন্তান কেউই এখন আর বেঁচে নেই। দুর্ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা সেই চুষনি যেন মর্মান্তিক ঘটনাটির নীরব সাক্ষী।
