জমিতে বিভিন্ন ফসল ফলাতে অতিরিক্ত কীটনাশক ও রাসায়নিক ব্যবহারের ফলে রেশম চাষের গাছ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সেই বিষক্রিয়ার প্রভাবেই ধীরে ধীরে বিলুপ্তির পথে এই ঐতিহাসিক শিল্প। তবে এখনও কিন্তু আশার আলো নিভে যায়নি। জলঙ্গি ব্লকের সাগরপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় কিছু সচেতন কৃষক এখনও এই ঐতিহ্যবাহী শিল্প বাঁচিয়ে রেখেছেন।
advertisement
সেই কৃষকদের উৎসাহ দিতে জলঙ্গি পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে রেশম চাষের বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ করা হল। চাষের প্রয়োজনীয় সামগ্রী পেয়ে খুশি তাঁরা। ওই চাষিদের আশা, সরকারি সহায়তা ও সচেতন চাষ পদ্ধতির মাধ্যমে আবারও ঘুরে দাঁড়াবে বাংলার ঐতিহ্যবাহী রেশম শিল্প।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বাংলার নবাবদের কঠোর পরিশ্রম ও সাহসের কারণে একসময় এই রেশম শিল্প এখানে নিজের সর্বোচ্চ কর্মক্ষমতা অর্জন করেছিল। ফলস্বরূপ ডাচ, ফরাসি, ব্রিটিশদের মতো বিদেশি ব্যবসায়ীদের দ্বারা এটি আকৃষ্ট হয়। মুর্শিদাবাদ জেলার কিছু স্থান রেশম চাষে একটি চমৎকার অবস্থান অর্জন করেছিল। ফলে অনেক বিদেশি কাশিমবাজার, সৈদাবাদ এবং জঙ্গিপুরে আসেন। বর্তমানে জলঙ্গি ব্লকে কিছু চাষিরা এই রেশম চাষ করছেন। তাই তাঁদের উৎসাহিত করতে তৎপরতা গ্রহণ করল জেলা প্রশাসন।





