তৃণমূল হোক বা বিজেপি এমনকি কংগ্রেস, যে দলের ভোটের প্রচার থাকে তাদের হয়ে ভোট প্রচারে বাজনা বাজিয়ে মানুষের কাছে প্রার্থীকে নিয়ে পৌঁছন তারা। এইভাবে দৈনন্দিন প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা রোজগার হয় এক একজনের। ইতিমধ্যেই ভোটের বাদ্যি বেজে গিয়েছে। ঘোষণা হয়েছে প্রার্থী তালিকা, শুরু হবে মনোনয়ন পত্র। প্রার্থীরা ভোটের ময়দানে নেমে পড়েছেন জোরদার প্রচারে। মুর্শিদাবাদ জেলাতে প্রথম দফায় বিধানসভা নির্বাচন।
advertisement
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ওঁরা বাজনা বাদক, ভোটের সময় তাঁদের ডাক আসে। রাজনীতির কোনও দলের রং দেখার সময় পান না তাঁরা। যেদিক থেকে ডাক আসে, সেখানেই ছোটেন তাঁরা। ভোটের জমকালো প্রচারকে আরও মাতিয়ে তোলেন তাঁরা। প্রার্থীরা যখন জোরদার প্রচারে ব্যস্ত থাকেন, তখন এই বাজনা বাদকরা ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। গণতন্ত্রের উৎসবের বাজনা শোনা যায় তাঁদের মাধ্যমে। পরিবারকে দেওয়ার মতো সময় হাতে থাকে না। কারণ এখন লক্ষ্মীলাভ হয় বেশ ভাল, এখন বাড়তি রোজগারের সময়। ফলে বিয়ে বাড়ি বা উৎসবে তাঁরা গেলেও অপেক্ষা করে থাকেন ভোটের জন্য। ভোট আসার আগে থেকে রাজনীতির ঘরে যেমন প্রস্তুতি শুরু হয়, তেমনই প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায় এই বাজনা বাদকদেরও ঘরেও।





