পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে সুতির গাজিপুর এলাকার একটি আমবাগানের ভিতরে তালগাছের পাশে একটি ব্যাগভর্তি তাজা বোমা উদ্ধার হয়। প্রায় একই সময় হাজিপুরের বামুহাঘাট সংলগ্ন একটি কালভার্টের পাশে জারভর্তি বোমা উদ্ধার করা হয়। দু’টি পৃথক জায়গায় মোট ৩৮টি বোমা উদ্ধার হয়। এছাড়াও ফরাক্কা থেকে বোমা উদ্ধার হতেই মোট বোমার পরিমাণ ৫০টি ছাড়ায়।
advertisement
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে সুতি থানার পুলিশ। খবর দেওয়া হয় বোম স্কোয়ার্ডকে। পরে বোম স্কোয়ার্ডের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার হওয়া বোমাগুলি নিষ্ক্রিয় করে। কে বা কারা এই বোমাগুলি ওই দুই স্থানে মজুত করে রেখেছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, ভোটকে ঘিরে অশান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যেই এই বোমা মজুত করা হয়েছিল। যদিও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আগেই পুলিশ বোমাগুলি উদ্ধার করতে সক্ষম হওয়ায় বড়সড় বিপদ এড়ানো গিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
অন্যদিকে, মঙ্গলবার গভীর রাতে মুর্শিদাবাদ জেলার ফরাক্কা থানার অন্তর্গত ভবানীপুর এলাকায় একটি ব্যাগভর্তি তাজা বোমা উদ্ধার হয়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে এই বোমাগুলি উদ্ধার করে ফরাক্কা থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্দেহজনক একটি ব্যাগ পড়ে থাকার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। তল্লাশি চালাতেই ব্যাগের ভিতর থেকে একাধিক তাজা বোমা উদ্ধার হয়। সঙ্গে সঙ্গেই এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।
ফরাক্কা থানার আইসি অমিত মুখার্জি জানান, প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, কোনও অসৎ উদ্দেশ্যেই এই বোমাগুলি সেখানে রাখা হয়েছিল। বোমাগুলিকে নিষ্ক্রিয় করার জন্য বম্ব স্কোয়ার্ডকে খবর দেওয়া হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত এই ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা স্পষ্ট নয়। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে ফরাক্কা থানার পুলিশ।






